1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
Amader Banglar Sangbad - আমাদের বাংলার সংবাদ







অপরাধ ও আইন

গোবিন্দগঞ্জের ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের কালিতলায় ভ্রাম্যমান আদালতে ১১ পরিবহনকে জরিমানা

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সড়ক/মহাসড়কে ফিটনেস বিহীন/অবৈধ যান চলাচল রোধ,লকডাউনের আদেশ অমান্য করায় উপজেলা প্রশাসন ও হাইওয়ে থানা পুলিশের উদ্যোগে আজ বিকালে কালিতলা হাইওয়ে থানার সামনে উপজেলা নির্বাহী বিস্তারিত
বাংলার সংবাদ







এনজিও সংবাদ
ভিডিও সংবাদ

গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলায় যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদের বুক চিরে জেগে ওঠা বেশ কিছু বালুচরে দোঁ’আশ ও পলি মাটির স্তর পড়ার কারণে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে কৃষিবিপ্লব ঘটাচ্ছেন চরবাসি। নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্যার পরে চরের মানুষ সদ্য জেগে উঠা চরে বারি হাইব্রিড মরিচ, বেগুন, পিঁয়াজ, ধনিয়া, রসুন, টমেটো, গাজর, গম, চিনা, ভুট্টা, কাউন, চিনাবাদাম, মিষ্টিআলু, মশুর ডাল, তিল, তিষি, কালোজিরা, সুর্যমুখী, গাঞ্জিয়া ধান, বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল ফলিয়ে এখন সংসারের উন্নতিতে ঘুরে দাড়াতে শুরু করেছে। অনাবাদি বালুর চওে মিষ্টি কুমড়া চাষ, ঘরের চালে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, সিম, করোল্লা লাগিয়েছে অনেকেই। বিস্তীর্ণ বালুচরে নানা রকম ফসলের সমারোহ। উৎপাদিত শস্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা দিনদিন নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছে। কাচা মরিচের দাম কম হওয়ায় অনেকে ক্ষেতেই পেকে এখন ঘরের চালে-উঠানে রোদে দিয়ে শুকাচ্ছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ বাস্তবায়নে
গাইবান্ধার চরাঞ্চলে বিভিন্ন উন্নত জাতের ফসলের চাষ হওয়ায় ভাগ্য বদলাচ্ছে চাষীদের
আবু তাহের,গাইবান্ধা :

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ গাইবান্ধা অফিসের বাস্তবায়নে উদ্যানতাত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ ও চর এলাকায় উদ্যান এবং মাঠ ফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্পের অর্থায়নে জেলার ৬টি উপজেলার নদী বেষ্টিত চর এলাকায় শতশত কৃষকের মাঝে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক প্রযুক্তিতে বেশি ফলন হয় এমন ফসলের বীজ, চারা, সার বিনামূল্যে প্রদান ও চাষাবাদে তদারকির মাধ্যমে চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। সেই সাথে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে তাদের পরিবারে। এমনটাই জানালেন সুবিধাপ্রাপ্ত কৃষকরা।

গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলায় যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদের বুক চিরে জেগে ওঠা বেশ কিছু বালুচরে দোঁ’আশ ও পলি মাটির স্তর পড়ার কারণে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে কৃষিবিপ্লব ঘটাচ্ছেন চরবাসি। নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্যার পরে চরের মানুষ সদ্য জেগে উঠা চরে বারি হাইব্রিড মরিচ, বেগুন, পিঁয়াজ, ধনিয়া, রসুন, টমেটো, গাজর, গম, চিনা, ভুট্টা, কাউন, চিনাবাদাম, মিষ্টিআলু, মশুর ডাল, তিল, তিষি, কালোজিরা, সুর্যমুখী, গাঞ্জিয়া ধান, বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল ফলিয়ে এখন সংসারের উন্নতিতে ঘুরে দাড়াতে শুরু করেছে। অনাবাদি বালুর চওে মিষ্টি কুমড়া চাষ, ঘরের চালে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, সিম, করোল্লা লাগিয়েছে অনেকেই। বিস্তীর্ণ বালুচরে নানা রকম ফসলের সমারোহ। উৎপাদিত শস্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা দিনদিন নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছে। কাচা মরিচের দাম কম হওয়ায় অনেকে ক্ষেতেই পেকে এখন ঘরের চালে-উঠানে রোদে দিয়ে শুকাচ্ছে।

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনার চরগুলো ছিল একসময় ধুধু বালুময়। প্রতিবছর বন্যার পানির সাথে যমুনার বালুচরে পলিমাটি জমে এখন উর্বর আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। চোখ ধাঁধাঁনো চরে বালুর পাশাপাশি দোঁ’আশ ও পলি মাটির স্তর পড়ার কারণে বর্ণিল সবুজ ফসলে ভরা জমিগুলো সবুজ চাদরে ঢাকা মাঠ মনে হচ্ছে।

কয়েক বছর আগেই এই যমুনা নদীতে বয়ে যেত প্রবল স্রোত তখন নদীতে চলতো লঞ্চ-ষ্টিমার, অসংখ্য নৌকা সেই ¯্রােতসীনি যমুনা শুকিয়ে জেগে ওঠা বালুচর এখন শস্য ভান্ডার নামে পরিচিতি পাচ্ছে।

নদীর তীরবর্তী সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চল বেশি হওয়ায় ফসলও বেশি চাষাবাদ হয়। মরিচ, ভুট্টা ও পাটের পাশাপাশি ধান, গম, সরিষা, চিনা বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, আলু, মিষ্টি আলু, রসুন, পিঁয়াজ, গাজর, কাউন, মশুর ডাল ও খেসারি ডালসহ প্রায় সবধরণের শাক-সবজি চাষাবাদ করে কৃষকরা।

তবে দেশীও হাইব্রিড জাতের মরিচের চাষ বেশি হয়, এবার সাঘাটা-ফুলছড়ির চরাঞ্চলে এক হাজার হেক্টর জমিতে দেশি ও হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে ৫০ থেকে ৭০ মন মরিচ উৎপাদন হচ্ছে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে কৃষকের মরিচ। চাষীরা এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই বাজারে মরিচ বিক্রি শুরু করেছেন। চরাঞ্চলের ৪শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা, ৫শ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়ে থাকে। চরাঞ্চলের ১৪ হাজার বিঘা জমিতে ফসল ফলিয়েছেন কৃষকরা।

শুষ্ক মৌসুম এলেই কৃষকরা একটি ফসল ঘরে তুলে আবারও নতুন ফসল ফলাতে জমি পরিচর্যার কাজ শুরু করেন । একসময় নদী ভঙ্গন ও বন্যার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ ছিল অতিদরিদ্র, তখন এই অঞ্চলকে মঙ্গাপীড়িত অঞ্চল বলা হতো। সেসময় অভাবী পরিবারের পুরুষরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরে গিয়ে শ্রমিকের কাজ করেতো। অনেকেই নদী থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্র্রি করে সংসার চালাতো। আর নারীরা নদী থেকে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করে তা বিক্রি কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করতো। সেই নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরকে কাজে লাগিয়ে অভাব-অনটন দূর করে সেইসব লোকগুলো এখন ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছেন। এসব পরিবারের নারীরা এখন তাদের স্বামী-সন্তান নিয়ে পরিশ্রম করে ফসল ফলাচ্ছেন।

অনেক জানান, নদীভাঙ্গন ও বন্যার কারণে এই অঞ্চল একসময় ছিল শুধু বালুময়। প্রতিবছর বন্যায় বালু চরগুলোতে পলির স্তর জমে এখন ফসল চাষে উপযোগী হয়ে উঠেছে।

অনেকে বলেন, এই চরে এখন সবধরণের ফসল হয়, আমাদেরকে জীবন নির্বাহের জন্য আর ঢাকা বা অন্য কোনো জেলায় কাজ করতে যেতে হয় না। নিজেদের চরের জমি চাষাবাদ করে সময় পাই না। আগের মতো চরের মানুষের আর অভাব নেই,ফসল থেকে এখনবেশ ভালো আয় করতে পারছে সবাই ।

গাড়ামারা, কানাইপাড়া, নলছিয়া, গোবিন্দপুর, বেড়া, পাতিলবাড়ি, উত্তর দীঘলকান্দি, দক্ষিণ দীঘলকান্দি, হলদিয়া, কালুরপাড়া, কুমারপাড়া, গুয়াবাড়ি, গোবিন্দী, বাশহাটা, বুগারপটল ও চিনিরপটলসহ সবগুলো চরে এখন সবধরণের ফসলের চাষাবাদ হচ্ছে।

গোবিন্দপুর চরের বাসিন্দা ও হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুল আলী জানান, চরের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো চরের নানা ধরণের ফসল ফলিয়ে এখন অনেকটাই স্বাবলম্বী । এইসব চরের কৃষকদের জন্য সরকারী ভাবে কৃষিঋৃণের ব্যবস্থা করা হলে পরিত্যক্ত চর সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিনত হবে।

ফুলছড়ি উপজেলার বাগবাড়ি, দেলুয়াবাড়ি, টেংরাকান্দি, খোলাবাড়িসহ কমপক্ষে ২০টিঁ চরেও ব্যাপক ফসল হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ গাইবান্ধা অফিসের বাস্তবায়নে উদ্যানতাত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ ও চর এলাকায় উদ্যান এবং মাঠ ফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্পের অর্থায়নে ‘সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু করেছে। চরাঞ্চলগুলোতেও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত জাতের বীজের মাধ্যমে চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে। ফলে কৃষকের চাষাবাদের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলগুলোতে কৃষি স¤প্রসারিত হচ্ছে। শস্য উৎপাদনও বাড়ছে।

অনেকেই জানান, চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য শস্যমাড়াই ও শস্য সংরক্ষণের জন্য চরে সরকারী ভাবে সেট ঘরের ব্যবস্থা করা করা হলে কৃষকের পক্ষে তাদের উৎপাদিত ফসল নিরাপদে ঘরে তোলা সহজ হতো। পাশাপাশি সেচযন্ত্র লোলিফট পাম্প এবং ফিতাপাইপ ব্যবহার করে ফসলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হলে ফলন আরো বেশী হতো।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ বাস্তবায়নে
গাইবান্ধার চরাঞ্চলে বিভিন্ন উন্নত জাতের ফসলের চাষ হওয়ায় ভাগ্য বদলাচ্ছে চাষীদের
আবু তাহের,গাইবান্ধা :

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ গাইবান্ধা অফিসের বাস্তবায়নে উদ্যানতাত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ ও চর এলাকায় উদ্যান এবং মাঠ ফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্পের অর্থায়নে জেলার ৬টি উপজেলার নদী বেষ্টিত চর এলাকায় শতশত কৃষকের মাঝে কয়েক হাজার বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক প্রযুক্তিতে বেশি ফলন হয় এমন ফসলের বীজ, চারা, সার বিনামূল্যে প্রদান ও চাষাবাদে তদারকির মাধ্যমে চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। সেই সাথে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে তাদের পরিবারে। এমনটাই জানালেন সুবিধাপ্রাপ্ত কৃষকরা।

গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়ি উপজেলায় যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদের বুক চিরে জেগে ওঠা বেশ কিছু বালুচরে দোঁ’আশ ও পলি মাটির স্তর পড়ার কারণে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে কৃষিবিপ্লব ঘটাচ্ছেন চরবাসি। নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বন্যার পরে চরের মানুষ সদ্য জেগে উঠা চরে বারি হাইব্রিড মরিচ, বেগুন, পিঁয়াজ, ধনিয়া, রসুন, টমেটো, গাজর, গম, চিনা, ভুট্টা, কাউন, চিনাবাদাম, মিষ্টিআলু, মশুর ডাল, তিল, তিষি, কালোজিরা, সুর্যমুখী, গাঞ্জিয়া ধান, বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল ফলিয়ে এখন সংসারের উন্নতিতে ঘুরে দাড়াতে শুরু করেছে। অনাবাদি বালুর চওে মিষ্টি কুমড়া চাষ, ঘরের চালে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, সিম, করোল্লা লাগিয়েছে অনেকেই। বিস্তীর্ণ বালুচরে নানা রকম ফসলের সমারোহ। উৎপাদিত শস্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা দিনদিন নিজেদের ভাগ্য বদলাচ্ছে। কাচা মরিচের দাম কম হওয়ায় অনেকে ক্ষেতেই পেকে এখন ঘরের চালে-উঠানে রোদে দিয়ে শুকাচ্ছে।

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনার চরগুলো ছিল একসময় ধুধু বালুময়। প্রতিবছর বন্যার পানির সাথে যমুনার বালুচরে পলিমাটি জমে এখন উর্বর আবাদি জমিতে পরিণত হয়েছে। চোখ ধাঁধাঁনো চরে বালুর পাশাপাশি দোঁ’আশ ও পলি মাটির স্তর পড়ার কারণে বর্ণিল সবুজ ফসলে ভরা জমিগুলো সবুজ চাদরে ঢাকা মাঠ মনে হচ্ছে।

কয়েক বছর আগেই এই যমুনা নদীতে বয়ে যেত প্রবল স্রোত তখন নদীতে চলতো লঞ্চ-ষ্টিমার, অসংখ্য নৌকা সেই ¯্রােতসীনি যমুনা শুকিয়ে জেগে ওঠা বালুচর এখন শস্য ভান্ডার নামে পরিচিতি পাচ্ছে।

নদীর তীরবর্তী সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের চরাঞ্চল বেশি হওয়ায় ফসলও বেশি চাষাবাদ হয়। মরিচ, ভুট্টা ও পাটের পাশাপাশি ধান, গম, সরিষা, চিনা বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, আলু, মিষ্টি আলু, রসুন, পিঁয়াজ, গাজর, কাউন, মশুর ডাল ও খেসারি ডালসহ প্রায় সবধরণের শাক-সবজি চাষাবাদ করে কৃষকরা।

তবে দেশীও হাইব্রিড জাতের মরিচের চাষ বেশি হয়, এবার সাঘাটা-ফুলছড়ির চরাঞ্চলে এক হাজার হেক্টর জমিতে দেশি ও হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে ৫০ থেকে ৭০ মন মরিচ উৎপাদন হচ্ছে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে কৃষকের মরিচ। চাষীরা এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই বাজারে মরিচ বিক্রি শুরু করেছেন। চরাঞ্চলের ৪শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা, ৫শ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়ে থাকে। চরাঞ্চলের ১৪ হাজার বিঘা জমিতে ফসল ফলিয়েছেন কৃষকরা।

শুষ্ক মৌসুম এলেই কৃষকরা একটি ফসল ঘরে তুলে আবারও নতুন ফসল ফলাতে জমি পরিচর্যার কাজ শুরু করেন । একসময় নদী ভঙ্গন ও বন্যার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ ছিল অতিদরিদ্র, তখন এই অঞ্চলকে মঙ্গাপীড়িত অঞ্চল বলা হতো। সেসময় অভাবী পরিবারের পুরুষরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরে গিয়ে শ্রমিকের কাজ করেতো। অনেকেই নদী থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্র্রি করে সংসার চালাতো। আর নারীরা নদী থেকে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করে তা বিক্রি কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করতো। সেই নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরকে কাজে লাগিয়ে অভাব-অনটন দূর করে সেইসব লোকগুলো এখন ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছেন। এসব পরিবারের নারীরা এখন তাদের স্বামী-সন্তান নিয়ে পরিশ্রম করে ফসল ফলাচ্ছেন।

অনেক জানান, নদীভাঙ্গন ও বন্যার কারণে এই অঞ্চল একসময় ছিল শুধু বালুময়। প্রতিবছর বন্যায় বালু চরগুলোতে পলির স্তর জমে এখন ফসল চাষে উপযোগী হয়ে উঠেছে।

অনেকে বলেন, এই চরে এখন সবধরণের ফসল হয়, আমাদেরকে জীবন নির্বাহের জন্য আর ঢাকা বা অন্য কোনো জেলায় কাজ করতে যেতে হয় না। নিজেদের চরের জমি চাষাবাদ করে সময় পাই না। আগের মতো চরের মানুষের আর অভাব নেই,ফসল থেকে এখনবেশ ভালো আয় করতে পারছে সবাই ।

গাড়ামারা, কানাইপাড়া, নলছিয়া, গোবিন্দপুর, বেড়া, পাতিলবাড়ি, উত্তর দীঘলকান্দি, দক্ষিণ দীঘলকান্দি, হলদিয়া, কালুরপাড়া, কুমারপাড়া, গুয়াবাড়ি, গোবিন্দী, বাশহাটা, বুগারপটল ও চিনিরপটলসহ সবগুলো চরে এখন সবধরণের ফসলের চাষাবাদ হচ্ছে।

গোবিন্দপুর চরের বাসিন্দা ও হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুল আলী জানান, চরের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো চরের নানা ধরণের ফসল ফলিয়ে এখন অনেকটাই স্বাবলম্বী । এইসব চরের কৃষকদের জন্য সরকারী ভাবে কৃষিঋৃণের ব্যবস্থা করা হলে পরিত্যক্ত চর সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিনত হবে।

ফুলছড়ি উপজেলার বাগবাড়ি, দেলুয়াবাড়ি, টেংরাকান্দি, খোলাবাড়িসহ কমপক্ষে ২০টিঁ চরেও ব্যাপক ফসল হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউট সরেজমিন গবেষণাবিভাগ গাইবান্ধা অফিসের বাস্তবায়নে উদ্যানতাত্বিক ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ ও চর এলাকায় উদ্যান এবং মাঠ ফসলের প্রযুক্তি বিস্তার প্রকল্পের অর্থায়নে ‘সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু করেছে। চরাঞ্চলগুলোতেও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত জাতের বীজের মাধ্যমে চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে। ফলে কৃষকের চাষাবাদের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলগুলোতে কৃষি স¤প্রসারিত হচ্ছে। শস্য উৎপাদনও বাড়ছে।

অনেকেই জানান, চরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য শস্যমাড়াই ও শস্য সংরক্ষণের জন্য চরে সরকারী ভাবে সেট ঘরের ব্যবস্থা করা করা হলে কৃষকের পক্ষে তাদের উৎপাদিত ফসল নিরাপদে ঘরে তোলা সহজ হতো। পাশাপাশি সেচযন্ত্র লোলিফট পাম্প এবং ফিতাপাইপ ব্যবহার করে ফসলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা হলে ফলন আরো বেশী হতো।

আনোয়ার হোসেন,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর বাজারে শত্রুতামূলক ২ টি দোকানের ব্রয়লার মুরগী মেরে ফেলা ও কয়েক হাজার ডিম নষ্ট করেছে দুষ্কৃতিকারী একটি চক্র।


অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর রাতে যাত্রাপুর বাজারের পাইকারী মুরগী ও ডিম ব্যবসায়ী শহিদুল ও দুলু মিয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ীতে গেলে দোকান ঘরের টিনের বেড়া কেটে চক্রটি ঘরে প্রবেশ করে প্রায় ৩০ হাজার ডিম ভেঙ্গে ফেলে ও বিভিন্ন প্রজাতির ২৫৫ টি মুরগী মেরে ফেলে এবং ক্যাশ বাক্সের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

 

ঐ দুই ব্যবসায়ীর প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ক্ষতিগ্রস্তরা।

কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনকের
৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

আনোয়ার হোসেন,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হচ্ছে।

 

<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/b27sZ11ZR8Y” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture” allowfullscreen></iframe>
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় শাপলা চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়।


এরপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণসহ তার আতœার শান্তিতে এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: জাফর আলী, সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, আওয়ামী লীগ নেতা এসএম আব্রাহাম লিংকনসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরপর সকাল নয়টায় কলেজ মোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভে জেলা প্রশসনের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।
শেষে এক মিনিট নিরবতা পালন করে বঙ্গবন্ধুর আতœার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানাসহ জেলার বিভিন্ন অফিসের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ছবি কথা বলে