1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  3. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  4. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  5. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  6. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

শিশু ছাত্রীকে উলঙ্গ করে বাড়ি পাঠালেন শিক্ষিকা

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২০
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

প্রাথমিকে ২য় শ্রেণীর ছাত্রী মিম। ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে সে।

প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুটি হাসি মুখে স্কুলে এসেছিল। ক্লাস শুরুর একটু পর মিম বুঝতে পারে প্রকৃতির ডাকে তাকে বাথরুমে যেতে হবে।

কিন্তু ক্লাসে মুর্তিমান আতঙ্ক, যিনি প্রধান শিক্ষিকা নাছরিন আক্তার তিনি পাঠদান করছেন। মিম তবুও ভয়ে ভয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ম্যামের কাছে বাইরে যাবার অনুমতি চাইলো।এতে ক্ষেপে গেলেন ম্যাম। কঠোর ভাষায় বকাবকির পাশাপাশি ক্লাস শেষ হবার আগে বাইরে যেতে পারবেনা বলে হুলিয়া জারি করলেন।


ফলে যা হবার তাই হলো। শিশু মিম প্রশ্রাবের বেগ ধরে রাখতে পারলো না। একপর্যায়ে শ্রেণীকক্ষেই প্রশ্রাব করে দিলো। এতে ম্যাম নাছরিন আরো ক্ষেপে গেলেন। তিনি শিশুটিকে মারধর শুরু করলেন। এসময় তিনি শিশুটির পরনের জামা কাপড় জোর করে খুলে নেন। শিশুটি চিৎকার করে কাঁদতে থাকলেও তার একটুও মমত্ববোধ জাগ্রত হয়নি। নাছরিন শিশুটিকে উলঙ্গ করে তার জামাকাপড় দিয়ে প্রশ্রাব পরিস্কার করতে বাধ্য করেন। পরে শিশুটিকে প্রশ্রাব মিশ্রিত জামাকাপড় হাতে ধরিয়ে উলঙ্গ অবস্থায় শ্রেণীকক্ষ থেকে বের করে দেন। এতে শিশুটি ক্ষোভে লজ্জায় ও অপমানে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি পৌঁছায়। এসময় সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে এবং তার মনে প্রচন্ড ভয় ঢুকে যায় বলে পরিবারের বক্তব্য।
এদিকে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা নাছরিন আক্তারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ হিসেবে ইউএনও’র কাছে রোববার বিকালে লিখিত অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর বাবা আলী হাসান। মিমের বাবা আলী হাসান জানান, ক্লাসে উলঙ্গ করায় তার মেয়ে লজ্জা ও ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে । তখন সে থরথর করে কাঁপছিল। ম্যাডামের এমন আচরণে তার মেয়ের মনে ভয় ঢুকে গেছে। খালি গায়ে বাড়িতে এসে সে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। তার মনে যে লজ্জা আর ভয় বাসা বেঁধেছে হয়তো আগামী দিনে আর সহজে স্কুলে যেতে চাইবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া তাহের জানান, শিশুকে নিয়ে তার বাবা আমার কার্যালয়ে এসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমি শিশুটিকে দেখে বুঝেছি, তার উপর কতটা নির্মমতা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা অফিসারকে কারণ দর্শাতে বলেছি। আইনগত সকল ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, প্রধান শিক্ষিকা নাছরিন আক্তারের বিরুদ্ধে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ এসেছে। স্যার আমাকে দায়িত্ব দিলে আমি অ্যাকশনে যাব।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা অবশ্য এটিকে অপরাধ হিসেবে মানতে নারাজ। ছাত্রীর সাথে এমন আচরণের বিষয়ে জানতে চাইলে নাছরিন বলেন, এটা নিয়ে এত হৈচৈয়ের কি আছে আমি তা বুঝতে পারছি না। পড়া নেয়ার সময় হলে মেয়েটি সবসময় নানা অজুহাত দেখিয়ে ক্লাস থেকে বের হতে চায়। আমি পড়া দিয়ে বের হতে বললে সে ক্লাসে প্রস্রাব করে দেয়। আমি তার জামাকাপড় খুলেছি। তবে আমি নিজে অন্য কাপড় দিয়ে প্রস্রাব পরিস্কার করেছি। প্রধান শিক্ষিকার এমন নির্লজ্জ মিথ্যার উত্তরে মিমের সহপাঠি কয়েক শিক্ষার্থী বলেন, ম্যাম মিমকে জামাকাপড় খুলে তা দিয়ে প্রশ্রাব পরিস্কার করতে বাধ্য করেছেন। এছাড়া তাকে মারধরও করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ধরনের আরো খবর

প্রকৌশল সহযোগীতায়ঃ মোঃ বেলাল হোসেন