1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  3. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  4. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  5. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  6. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০৫:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
করোনা প্রতিরোধে ওয়ার্কার্স পার্টির মাস্ক ও সাবান বিতরণ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গাইবান্ধায় সুন্দরগঞ্জে‘ কাটগড়া সবুজ মিলনায়তন ক্লাব’র উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ সুন্দরগঞ্জে মাদককারবারি গ্রেফতার গাইবান্ধায় অসহায় শ্রমজীবি মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ রাস্তায় নবজাতক শিশুর জন্ম নেয়ায় দুই সদস্যের তদন্ত টীম গঠন গোবিন্দগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মাহমুদ হাসান রিপনের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সুরক্ষা সরঞ্জামাদী হস্তান্তর গাইবান্ধায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ১৬৭ বাড়ি ফিরে গেছে ৩ জন লকডাউন এলাকায় কোয়ারেন্টিনে বাধ্য করছে গোবিন্দগঞ্জে ফুলপুকুরিয়া বাজার থেকে ফেয়ার প্রাইজের ২১ বস্তা চাল উদ্ধার

তারুণ্যতা, দীর্ঘায়ু প্রাপ্তিতে ও সুস্থ্য জীবনের জন্য হাসি প্রয়োজন।

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
  • ২ বার দেখা হয়েছে


পৃথিবী সৃষ্টির সুচনালগ্ন থেকেই মানুষের জীবনে হাস্যরশিকতার উপস্থিতি লক্ষ্যকরা যায়। এই হাস্য-রশিকতা মানুষের জীবনকে অনাবিল আনন্দময় ও প্রশান্তিময় করে। ১৯৬৩ সালে শিল্পী হারভে রোজবল হলুদ রঙ্গের বৃত্তের মধ্যে দুটো চোখ আর একটি অর্ধচন্দ্রকৃতি মুখের ছবি আকেন, যা ব্যাপক পরিচিত পান যুক্তরাষ্টের শিল্পী হারভে। তার চেষ্টায় ১৯৯৯ সাল থেকে অক্টোবর মাসের প্রথম শুক্রবারটি বিশ্ব ‘হাসি’ দিবস হিসাবে পালিত হচ্ছে অর্থাৎ ওর্য়াল্ড স্মাইল ডে এর অর্বিভাব হয়। অবশ্য বিশ্বব্যাপী হাস্যযোগ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ড. মদন কাটারিয়ার ১৯৯৮ সালে ভারতে মুম্বাইয়ে ‘হাসি দিবস’ পালন করেন।

হাসির মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্ব ছড়িয়ে দেওয়ার ব্রত নিয়েই তিনি এ দিবস পালনের ঘোষণা দেন। অবশ্য পরবর্তী সময়ে তিনিও আক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ‘হাসি দিবস’ পালনে একাত্বতা হন। গোমড়া মুখো মানুষ আর হাসি খুশি মানুষে পার্থক্য থাকে। যেমন- বলেছেন ব্রিটেনের আয়ারল্যান্ডের ৫০ বছরের টেস ক্রিশ্চিয়ান। ওই নারীর মতে হাসলে মুখের ত্বক ভাঁজ হয়ে যেতে পারে। এই ভয়ে তিনি নাকি ৩৫ বছর হাসেন না। চিকিৎসকেরা তো আক্কেলগুরুম মহিলা কি বলে? অর্থাৎ ত্বক রক্ষা করতে গিয়ে, না হেসে সেই মহিলা এতটাই বুড়িয়ে গেছেন ৫০ বছরকে তিনি একশতে টেনে নিয়ে এসেছেন। সুতরাং হাসির বিকল্প নেই।


মুম্বাইয়ের বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ড. মদন কাটারিয়া হাসির যোগ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মতে হাসি হলো বিশ্বের শক্তিশালী ‘ইতিবাচক’ আবেগ। বারাক ওবামা, বিল ক্লিনটন হাসি দিয়ে বিশ্বজয় করেছেন। আর বিষমাখানো ট্রাম্পের মুখ দেখে বিশ্ব ভীত হয়ে গেছে। যার মুখে হাসি আছে সে সারা পৃথিবীর শান্তির পথ বদলে দিতে পারে। মানসিক অস্থিরতা যত বাড়ছে ‘হাসি’ তত পালিয়ে যাছে। উল্লেখ করা যেতে পারে ঋণগ্রস্থ লোক, পরিবারে অশান্তি, দ্রব্যমুল্যে উর্ধ্বগতি, পরিবারের সদস্যের মৌলিক অধিকার না মিটানো, মামলা-মোকদ্দমা ইত্যাদির কারনে বর্তমান সমাজে হাসি পালিয়ে যাচ্ছে। এসকল মানসিক চাপে কিছু কিছু লোক আত্নহত্যা করছেন। হাসির সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানসিক, শারীরিক সুস্থতা ও ভালো কিছু প্রাপ্তি ব্যাপার। স্বাস্থ্যকর সুন্দর জীবনের জন্য দরকার সুস্থ্যমন। মন ভালো করার ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ হাসি। হাসলে হৃৎযন্ত্রের কার্যক্রম নিবিঘর্œ হয়। হাসিকে বলা হয় আত্মার সাবান। দেহ মন ও আত্মায় জমে থাকা ময়লা, পাপ, পংকিলতা পরিস্কার করে হাসি। বিজ্ঞানীরা মানুষকে ভালো রাখতে হাসি হাসতে পরামর্শ দেন, তা যে করেই হোক। কেউ বলেছেন দুই ঘন্টা ঘুমালে শরীরে যে সুস্থ্যতা আসে পনেরো মিনিট হাসলে তার চেয়ে বেশি সুস্থ্যতা আসবে। হৃৎপন্দন ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে হার্টে রক্ত সঞ্চালনের নালি পরিস্কার হবে। আর্টারিতে বিশুদ্ধ রক্তবাহী নালি ব্লকের সম্ভবনা অনেকাংশে কমে যাবে। ১০ থেকে ১৫ ক্যালরি খরচ হয়ে শরীর হালকা করে দেবে। হাসি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ যা আবেগকে সহজে স্পর্শ করে, করে সংক্রমিতও। শরীর গঠনে মনকে চাঙ্গা, দেহকে সুস্থ রাখতে হাসির বিকল্প কিছুর পরামর্শ এখনো দিতে পারেনি মনোবিজ্ঞানীরা। গবেষকদের মতে-টি নামক সেলের কার্যকারিতা বা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হাসি। টি-সেল রোগ প্রতিরোধে শাক্তিশালী ভূমিকা রাখে। মন খুলে হাসার ফলই নাকি রোগভোগ আশঙ্খা পালিয়ে যাওয়া। মনোবিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখিয়েছেন- রাগ, হতাশা, দুঃখ এসব থেকে উত্তরণের একমাত্র দাওয়াই, কারনে অকারনে হাসি। হাসির ফলে নাকি সেরাটোনিন ও এন্ডোরকিন নামক হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এতে মানসিক শারীরিক যন্ত্রনা হয় নিমিষেই উধাও।
পুষ্টি বিজ্ঞানীরা হাসিকে মনের পুষ্টির অন্যতম উৎস হিসাবে বিবেচনা করেছেন। তাঁরা বলেন-হাসির ফলে ফুসফুস তাজা হয়। বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রবাহিত হয় সারা শরীরে। মানুষের কর্মক্ষমতা বাড়ে। নানাভাবে শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বাড়তে থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কোন জীবানু ছুঁতে পারে না। বিভিন্ন রোগ সংক্রমনে আক্তান্ত হওয়ার আশঙ্খা হ্রাস পায়। চিকিৎসকদের গবেষনায় আরো প্রমানিত হয় যে, হাসলে রক্ত চলাচল বাড়ে, রক্ত নালি গুলো প্রসারিত হয়। ফলে শিরা ধমনিরউপর স্বভাবতই চাপ কমে, ফলে হয়-ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রন ও কমতে থাকে। তাঁরা গোমড়া মুখকে বেজায় বিপদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। হাসির প্রভাব আমাদের শরীরে ৩০ থেকে ৫০ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকে। শরীর-মন শান্তিতে থাকে। হাসি নিয়ে সব গবেষনায় একটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তাহলো প্রাণ খুলে হাসা। ‘মুচকি’ হাসিকে বিপদজনক হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। ঠোঁটে মিথ্যা হাসির সৌজন্যকে বলা হয়েছে ‘উপহাস’। জীবনকে আনন্দময় করতে, উপভোগ করতে প্রাণ খোলা হাসির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। হাসির সব আয়োজন কিন্তু আমাদের দেহ মন শরীরকে প্রশান্তি দিতে পারে, নীরোগ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে। সব আলোচনার তাৎপর্য হলো-হাসি ফুটুক সবার মুখে, বিশ্ববাসী থাকবে সুখে। (তথ্য সুত্র, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সমকাল, দৈনিক জনকন্ঠ)।
মতামতঃ বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে গান, নাটক, যাত্রা, সিনেমা, কৌতুক, ম্যাজিক ইত্যাদি প্রদর্শন হতে দেখা যায়। ছোটবেলা ‘জোকার’ সিনেমায় নায়ক-কে চাকুরি দেয়া হয় মানুষকে হাসানোর জন্য। এখন বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষজনকে হাসি খুশি রাখতে, তেমন কেউ নজর দেননি। তবে (কঝ ঋড়ঁহফধঃরড়হ) কাজী শাকিল ফাউন্ডেশনের একমাত্র দুরদর্শিতার মতো অভিজ্ঞ বা বিজ্ঞব্যক্তি গরীব, দুঃখী ঋণী, অভাব গ্রস্তদের মুখে ও তাদের সন্তানদের অন্ততঃ হাসি ফোটানোর জন্য ব্যয় করছেন। যাদু শিল্পী উলফাৎ কাবীর ও রোকসানা কবীর এবং তাঁর জুনিয়ার যাদুশিল্পী বাবুল রবিদাস শহরে, দলিত-বঞ্চিত ও প্রত্যন্ত গ্রামের সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে যাদু প্রদর্শন করে দশর্কের মুখে হাসি ফোটিয়ে সুস্থ্য রাখার চেষ্টা করছেন। মানুষকে হাসানোর জন্য সরকারী, বে-সরকারী সংস্থা গুলো এগিয়ে আসবেন ভবিষ্যতে বলে প্রত্যশা করছি। মানুষের মুখের হাসি সৃষ্টির অমুল্য সম্পদ। চিন্তান্বিত ব্যক্তি-হাসলে সকল দুঃখ কষ্ট ভুলে ফ্রেস হয়ে যান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

এই ধরনের আরো খবর

প্রকৌশল সহযোগীতায়ঃ মোঃ বেলাল হোসেন