1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  6. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
করোনা ক্রান্তিতে পুলিশের প্রশংসনীয় ভুমিকা ! গাইবান্ধায় চিকিৎসকের অবহেলায় রাস্তায় গর্ভপাত - আমাদের বাংলার সংবাদ
মোট আক্রান্ত

৪২,৮৪৪

সুস্থ

৯,০১৫

মৃত্যু

৫৮২

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৫,৬২৬
  • চট্টগ্রাম ১,৯৪৮
  • নারায়ণগঞ্জ ১,৯১৭
  • কুমিল্লা ৬৮০
  • মুন্সিগঞ্জ ৬৫৫
  • গাজীপুর ৬১৮
  • কক্সবাজার ৪৭০
  • নোয়াখালী ৪১৭
  • ময়মনসিংহ ৪০৯
  • রংপুর ৩৯৪
  • সিলেট ২৩২
  • কিশোরগঞ্জ ২৩১
  • নেত্রকোণা ২১০
  • জামালপুর ২০৬
  • নরসিংদী ১৭৫
  • গোপালগঞ্জ ১৬৫
  • হবিগঞ্জ ১৬৫
  • ফরিদপুর ১৪৭
  • যশোর ১৪৪
  • বগুড়া ১৩৭
  • জয়পুরহাট ১৩৫
  • মানিকগঞ্জ ১৩২
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১১৫
  • দিনাজপুর ১১৫
  • মাদারীপুর ১০৭
  • চাঁদপুর ১০৭
  • লক্ষ্মীপুর ১০৪
  • মৌলভীবাজার ১০৩
  • নওগাঁ ১০২
  • সুনামগঞ্জ ৯৭
  • ফেনী ৯৬
  • নীলফামারী ৯০
  • শরীয়তপুর ৮৯
  • চুয়াডাঙ্গা ৮৮
  • শেরপুর ৮৩
  • বরিশাল ৬৮
  • খুলনা ৬৭
  • রাজবাড়ী ৬৬
  • কুড়িগ্রাম ৬৪
  • রাঙ্গামাটি ৬৩
  • ঠাকুরগাঁও ৬১
  • রাজশাহী ৫৬
  • টাঙ্গাইল ৫১
  • নাটোর ৫১
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৪৯
  • ঝিনাইদহ ৪৮
  • বরগুনা ৪৪
  • পঞ্চগড় ৪০
  • সাতক্ষীরা ৪০
  • কুষ্টিয়া ৩৯
  • পাবনা ৩৭
  • গাইবান্ধা ৩৬
  • পটুয়াখালী ৩৬
  • লালমনিরহাট ৩৫
  • খাগড়াছড়ি ৩৫
  • ঝালকাঠি ২৭
  • নড়াইল ২৬
  • মাগুরা ২৪
  • পিরোজপুর ২৩
  • বান্দরবান ২২
  • বাগেরহাট ১৭
  • সিরাজগঞ্জ ১৭
  • ভোলা ১৪
  • মেহেরপুর
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট




করোনা ক্রান্তিতে পুলিশের প্রশংসনীয় ভুমিকা ! গাইবান্ধায় চিকিৎসকের অবহেলায় রাস্তায় গর্ভপাত

  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ১২৬ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা করোনা সংক্রমণ থেকে মানুষকে সচেতন করতে নিরলশ কাজ করছেন। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে পুলিশের ভুমিকা শ্রেষ্ঠ মানব সেবার নজির হয়ে থাকলো। সচক্ষে দেখছি জীবনের মায়া ত্যাগ করে পুলিশ সদস্যরা মানুষকে সচেতন করছেন। কে জানে এভাবে সচেতন করতে গিয়ে নিজেই হয়ত সংক্রমিত হচ্ছে। কিন্তু নিজের বা পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে কোন পুলিশ সদস্যই নিজের কর্তব্য থেকে বিরত থাকার কথা শুনিনি। জাতি আপনাদের নিয়ে গর্বিত। এই মহান স্বাধীনতার মাসে জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের সংগ্রামী অভিবাদন। সেলুট।

 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাবিশ^ টালমাটাল। উন্নত দেশে সুবিধা হচেছ সরকার ঘোষণার সাথে সাথে জনসাধারণ তা মেনে চলে। বাংলাদেশে তা সম্ভব না। মানুষ শুনেও না। ২৬ মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণার সাথে সাথে মানুষ পিপড়ার মত গ্রামে ছুটলো। একবার ভাবলোও না নিজে সংক্রমিত হয়ে পরিবারের সদস্যদের জন্য মৃত্যুর ঝুকি বহন করছেন। সরকার বাধ্য হয়ে নিরাপত্তা বাহিনি মোতায়েন করে। বিশেষভাবে পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা মাঠে ঘাটে কাজ করছেন। প্রিয় পাঠক একবার ভাবুন আপনাদের সচেতন করতে পুলিশ সদস্যদের স্বেচ্ছায় করোনা সাগরে ঝাপ দিতে হচ্ছে।

 

 

গণমাধ্যমকর্মী হিসাবে সর্বদা পুলিশের দোষ খুঁজে বেড়াই। এখানেও হয়ত আমাদের কোন কোন সহকর্মী বলবেন এটা তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। না এটা বলার সুযোগ নাই। করোনা রোগ থেকে সচেতন করা পুলিশের দায়িত্বের মধ্যে পরে কি। আমি বলবো না। এটা নাগরিক হিসাবে নিজেকে নিরাপদ রাখা প্রত্যেক মানুষের দায়িত্ব। আর চিকিৎসকের দায়িত্ব চিকিৎসা করা। চিকিৎসক এবং রাজনীতিবিদদের প্রধান দায়িত্ব মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সবাইকে ছাপিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে পুলিশই প্রধান কাজটি করছেন। মানুষের বিপদের দিনে পাশে দাড়িয়ে ‘জনতার পুলিশ’ উপাধির যথার্থতা প্রমাণিত হয়েছে।

 

 

 কথা হয় ডিএমপির উত্তরা পশ্চিম থানার সহ. পরিদর্শক মো. মামুন এর সাথে, তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকা থাকেন।
  মা-বাবা ফরিদপুরের.  আলফাডাঙা গ্রামের বাড়িতে আছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন সকাল-বিকাল মা মোবাইলে কান্নাকাটি করে। কাজে যেতে সবসময় দুয়া দরুদ পরতে বলে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক কর্মস্থলে পরিবার নিয়ে থাকেন। যখনই কাজে বের হন, বাসার লোকেরা দুয়া দরুদ পরে ফু দিয়ে দেয়। যতক্ষণ বাহিরে থাকেন ততক্ষণ সবার মাঝে আতংক ভর করে। তারপরও মানুষের কথা ভেবে পেশার কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হয়।
পুলিশ মানুষকে সচেতন করেই দায়িত্ব শেষ করেনি। নিজেদের বেতনের টাকা থেকে ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিচ্ছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেন জানান, স্বাধীনতা থেকে শুরু করে জাতির যে কোন ক্রান্তিলগ্নে পুলিশ নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে মানুষের জন্য আত্মনিয়োগ করে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পুলিশই প্রথম হানাদারের দিকে গুলি ছুড়েছে। ঘূর্ণিঝড় সিডর, ’৮৮র প্রলয়ংকরী বন্যা প্রতিটি ক্ষেত্রে পুলিশ জীবন বাজি রেখে কাজ করেছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশে পুলিশ নিজেদের সর্বোচ্চ শ্রম ও চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ৫’শ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। পুলিশ কল্যাণ তহবিল থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছেG
মানবদরদী সচেতন মাত্রই নিজের সাধ্যের মধ্যে মানুষের সেবা করছেন। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশ যা করছে তা সর্বোচ্চ ত্যাগের নজির। জ্ঞান বিজ্ঞানে সর্ব্বোচ্চ অগ্রসর হিসাবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ যেখানে নাস্তানাবুদ। বাংলাদেশ সরকার এখনো পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এটা বলার সময় হয়ত এখনো হয়নি। তবে যদি সেটা হয় তাহলে বলতে হবে কেবল পুলিশের ভুমিকার কারনেই সম্ভব হয়েছে। সরকারী নির্দেশ পুলিশ স্বশরীরে পালন করার কারনেই তা সম্ভব হয়েছে। জয়তু বাংলাদেশ পুলিশ।

               গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মীর অবহেলায় রাস্তায় জন্ম নিল নবজাতক শিশু 
                                                            মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ঘেরাও

 

সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সন্তান প্রসবের জন্য এসে রাস্তায় প্রসব করতে বাধ্য হলেন এক মা। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত পৌনে ৮টায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মাত্র ২শ’ গজ দুরে মধ্যপাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায়। নবজাতক ভুমিষ্টকারি ওই মায়ের নাম মিষ্টি আকতার (২০)। তিনি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে আব্দুর রশিদের স্ত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ লোকজন মাতৃসদন ঘেরাও করে।

 

নবজাতকের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, আব্দুর রশিদ তার স্ত্রীর প্রসব ব্যাথা উঠলে দ্রুত তাকে গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। একটি অটোবাইকে করে মিষ্টি আকতারকে নিয়ে এলে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মী তৌহিদা বেগম কোন রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই অন্তসত্বা ওই মহিলাকে অন্যত্র নিয়ে যেতে বলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার অনুরোধ করা সত্বেও বিষয়টির প্রতি তৌহিদা বেগম কোন কর্ণপাত করেননি। এতে কালক্ষেপন করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে মাত্র ২শ’ গজ দুরে মধ্যপাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় ব্যাথার প্রচন্ডতায় অন্তসত্ত্বা মহিলা চিৎকার শুরু করেন এবং একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান প্রসব করেন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে দেখতে পায় রাস্তার উপর অটোবাইকে একটি সন্তান জন্ম দিয়েছেন একজন মা। সন্তান প্রসবের পর মায়ের প্রচুর রক্তক্ষরণ থাকে। এ সময় উৎসুক জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ঘেরাও করে। পরে বাধ্য হয়ে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ পরবর্তী চিকিৎসা প্রদান করে।

 

 

এ ব্যাপারে ওই এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক ওয়াজিউর রহমান র‌্যাফেল বলেন, মাতৃসদনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এ ধরনের ঘটনা মাঝে মধ্যেই ঘটিয়ে থাকেন। তারা রোগী না দেখেই ক্লিনিকগুলোতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

 

 

গাইবান্ধা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদ আহমেদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের যথাযথ চিকিৎসা প্রদানের আহবান জানান। তিনি বলেন করোনা আতংকে যদি কোন কর্মচারি রোগিদের সাথে এ ধরনের আচরণ করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যায়িত করে নবজাতক ও তার মাকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান। গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসক ডা. সেকেন্দার আলী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী।  আপনার অথবা পরিবারের জন্মদিনের শুভেচ্ছা শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, tahershaghata@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন আমাদের  বাংলার সংবাদ এর  ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪২,৮৪৪
সুস্থ
৯,০১৫
মৃত্যু
৫৮২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৫২৩
সুস্থ
৫৯০
মৃত্যু
২৩
স্পন্সর: একতা হোস্ট

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৪২,৮৪৪
সুস্থ
৯,০১৫
মৃত্যু
৫৮২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৩৬৭,২৭৩