1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  8. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
শ্রম অধিকার সুযোগ-সুবিধা ও বিচার প্রাপ্তিতে শ্রমিকগণ অধরাই ! -এ্যাডঃ বাবুল রবিদাস - আমাদের বাংলার সংবাদ
মোট আক্রান্ত

৫৫,১৪০

সুস্থ

১১,৫৯০

মৃত্যু

৭৪৬

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৯,৩০৫
  • চট্টগ্রাম ২,৬৬২
  • নারায়ণগঞ্জ ২,৩৩৩
  • গাজীপুর ১,১১৫
  • কুমিল্লা ১,০৩৮
  • কক্সবাজার ৮৮৭
  • মুন্সিগঞ্জ ৮১৮
  • নোয়াখালী ৭২৬
  • ময়মনসিংহ ৪৯১
  • রংপুর ৪৬৯
  • সিলেট ৪৬৫
  • ফেনী ২৪২
  • ফরিদপুর ২৪০
  • গোপালগঞ্জ ২৩৯
  • কিশোরগঞ্জ ২৩৩
  • নেত্রকোণা ২২৫
  • জামালপুর ২০৯
  • নওগাঁ ১৯৪
  • নরসিংদী ১৮৪
  • দিনাজপুর ১৭৯
  • চাঁদপুর ১৭৮
  • মাদারীপুর ১৭৫
  • হবিগঞ্জ ১৭০
  • মানিকগঞ্জ ১৬৫
  • জয়পুরহাট ১৬৩
  • যশোর ১৫৩
  • লক্ষ্মীপুর ১৪২
  • নীলফামারী ১৩৮
  • বগুড়া ১৩৭
  • সুনামগঞ্জ ১৩০
  • বরিশাল ১২৬
  • শরীয়তপুর ১২৫
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১২১
  • চুয়াডাঙ্গা ১০১
  • মৌলভীবাজার ১০০
  • খুলনা ১০০
  • রাজবাড়ী ৯০
  • শেরপুর ৮৭
  • পটুয়াখালী ৮৭
  • কুষ্টিয়া ৮৫
  • রাজশাহী ৮০
  • বরগুনা ৭১
  • কুড়িগ্রাম ৭১
  • রাঙ্গামাটি ৬৬
  • ঠাকুরগাঁও ৬৫
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৬২
  • নাটোর ৫৯
  • ঝিনাইদহ ৫৬
  • ভোলা ৫৫
  • গাইবান্ধা ৫৩
  • টাঙ্গাইল ৫৩
  • পঞ্চগড় ৫২
  • সাতক্ষীরা ৪৭
  • খাগড়াছড়ি ৪৭
  • পাবনা ৪৬
  • বাগেরহাট ৪২
  • সিরাজগঞ্জ ৪০
  • বান্দরবান ৩৯
  • লালমনিরহাট ৩৮
  • পিরোজপুর ৩৪
  • ঝালকাঠি ৩০
  • নড়াইল ৩০
  • মাগুরা ২৯
  • মেহেরপুর
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট




শ্রম অধিকার সুযোগ-সুবিধা ও বিচার প্রাপ্তিতে শ্রমিকগণ অধরাই ! -এ্যাডঃ বাবুল রবিদাস

  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার বৃহদাংশই শ্রমিক। দৈহিক শ্রম দিয়ে প্রত্যহ যাঁরা অর্থ উপার্জন করেন তাঁদের শ্রমজীবী বলা হয়। শ্রমজীবী মানুষের হাতে বৃহৎ অর্থ-সম্পদ নেই। কিন্তু দিনমজুর শ্রমিকদের হাতে যে জিনিস আছে তা হলো অসীম শক্তি।

 

এ শক্তিকে ধনীক শ্রেণী ক্রয় করে নিতে চায় অল্প অর্থে। সমস্ত দলিত বঞ্চিত শ্রমিকগন যদি একত্রিত হয়, তবে সম্পদশালীদের ভীষন ক্ষতি ও ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দিতে পারে, ক্ষমতা তাদের হাতে চলে যাবে। তাই পূর্বপরিকল্পনা মতো শ্রমিকদের একদিনের যতটুকু প্রয়োজন সেটুকু অর্থ দিয়ে বিদায় করার নীতি গ্রহণ করো আর শোষণ করো।

 

শ্রমিকগন যেন একত্রিত হতে না পারে তার ব্যবস্থা করতে Devide and Rule নীতি গ্রহণ করেছে। ফলে শ্রমিকগণ আজ খেয়ে পরদিনের জন্য প্রভাবশালীদের অর্থাৎ ধনীদের কাছে কাজের জন্য ধরনা দিতে দেখা যায়। আজ বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের বৃহদাংশ এখনও অধিকার বঞ্চিত।

 

শ্রমিকদের আয় রোজগার স্বাস্থ্য ও পুষ্টিকর খাবারসহ মানবাধিকারের বিষয়ও এ দিনের আলোচনায় পড়ে। দুঃখের বিষয় পৃথিবীর অনেক দেশেই শ্রমিকদের অধিকার সংক্রান্ত আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থার (ILO) সনদ আজ পর্যন্ত পরোপুরি কার্যকর হয় নাই। বাংলাদেশেও আট ঘন্টা শ্রম দিবস স্বীকৃতি।

 

Standing order-১৯৬৯-এ সম্পর্কে স্পষ্ট করে দেয়া আছে।

 

১। “কোন শ্রমিককে আট (৮) ঘন্টার বেশি শ্রম করানো যাবে না। ২। তবে বিশেষক্ষেত্রে ওভারটাইম করানো যাবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে দুটি শর্ত রয়েছে (ক) শ্রমিকের সম্মতির ভিত্তিতেই কেবল ওভারটাইম কাজ করানো যেতে পারে। (খ) কোন অবস্থাতেই (এমনকি শ্রমিকের সম্মতি থাকলেও) দুই ঘন্টার বেশি ওভারটাইম শ্রম করানো যাবে না। ৩। ওভারটাইমের জন্য দ্বিগুন মজুরি দিতে হবে। অর্থাৎ কোন অবস্থাতেই কোন শ্রমিককে দশ ঘন্টার বেশি শ্রম করানো যাবে না এবং ওভারটাইমের জন্য দ্বিগুন মুজরি দিতে হবে। এগুলো আইনের বইপুস্তকে লেখা থাকলেও বাস্তব অবস্থা কিন্তু ভিন্ন।

 

যেমন ২৭ নভেম্বর ২০১৮ দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার প্রকাশিত রিপোট বলছে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের যথাযথ ভাগ শ্রমজীবী মানুষের ঘরে পৌচায় না। মোট দেশজ উৎপাদনের (জি.ডি.পি) প্রবৃদ্ধি যে হারে হচ্ছে, শ্রমজীবী মানুষের প্রকৃত আয় বাড়ছে তার অনেক কম হারে। বাংলাদেশে প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধির হার ভারত, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, এমনকি নেপালের চেয়েও কম। অবশ্য এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থা ((ILO) ) “বৈশ্বিক মজুরি প্রতিবেদন: ২০১৮-১৯ এ এই চিত্র উঠে এসেছে।

 

১৩৬ টি দেশের মজুরি আয়বৈষম্য, নারী-পুরুষের মজুরির পার্থক্য ইত্যাদি বিষয় প্রকাশ করে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধির হার প্রতিবেদন ও সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশের চেয়ে কম হলেও বৈষম্য তুলনামূলক কম। এছাড়া “১১ ফেব্রুয়ারী ২০২০ দৈনিক ইত্তেফাক” পত্রিকা হতে জানা যায় বর্তমান পোষাক শিল্পে প্রায় ৩৫ লাখ থেকে ৪২ লাখ শ্রমিক কাজ করেন: যাদের ৬০-৮০ শতাংশই হচ্ছে নারী। সচেতনতার অভাব, খাদ্যের গুনাগুন সম্পর্কে জ্ঞানের স্বল্পতা এবং সীমিত আয়ের কারণে এই শিল্পে নিয়োজিত অধিকাংশ শ্রমিক পুষ্টিকর খাবার থেকে বঞ্চিত। ফলে তাদের কর্মক্ষমতা কমছে।

 

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৬ তে বলা হয়েছে-এই অঞ্চলের শ্রমিকদের দক্ষতা কম বলে তাঁরা স্বল্পমজুরিতে কাজ করেন। দক্ষিণ এশিয়ার ২৪ শতাংশ কর্মজীবী দিনে সোয়া ডলারের কম আয় করেন। তাঁরা শোচনীয় দারিদ্র্যের ফাঁদে আটকা পড়ছেন।

 

 

আর বাংলাদেশসহ আফগানিস্তান, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তান ৮০ শতাংশের বেশি কর্মজীবী দিনে চার ডলারের কম (৩১৩ টাকা) আয় করেন। ফলে অল্প আয় বেশি ব্যয় হবার কারনে শ্রমিক মালিক প্রায় দ্বন্দ্ব দেখতে পাওয়া যায়। পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের শাসন শোষণ ও বৈষম্য প্রদর্শন করে আসছিল।

 

 

তার ফলে ধীরে ধীরে মানুষের মনে তাদের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করে। শেষ পর্যন্ত এদেশের মানুষ অস্ত্র-শস্ত্র হাতে নিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে অর্থনৈতিক মুক্তি জন্য, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান এর ডাকে দীর্ঘ ৯ মাস সংগ্রাম অন্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। এমত: কারণে মালিক শ্রমিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভাল থাকা প্রয়োজন।

 

 

আমাদের বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ইতি পূর্ব বলেছিলেন যে, শ্রমিকদের হাতেই অর্থনীতি সচল থাকে: প্রধান মন্ত্রী। এছাড়াও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির প্রদান ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরীর আহবান জানিয়েছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান (দৈনিক সংবাদ ২২ জানুয়ারী ২০১৯)। শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে স্বীকৃত অনেক ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে।

 

 

কিন্তু বাংলাদেশের মতে অনেক দেশই এখনও শ্রমিকদের অধিকার ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত হয়। কয়েকটি পেশা ছাড়া বাকি পেশা গুলোর শ্রমিকরা এখনও কোন হিসাবে আসে না। এর মধ্যে আছে, কৃষি, মাছধরা, নিমার্ন শিল্প, কুটির শিল্প, দোকান, ইটভাটা, হাঁস-মুগরীর খামার, ঝাড়–দেওয়া, লাশ কাটার ঘড়-মর্গ, জুতার প্রস্তুত কারক, নাপিত, কুমার, কামার ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে না আছে নিয়োগ পত্র, না আছে কর্মঘন্টা, না আছে উপযুক্ত মজুরি। স্বীকৃত পেশাগুলোতে আছে নানামুখী বঞ্চনা, কথায় কথায় ছাঁটাই, এমন কি নির্যাতনের নজির? বঞ্চিত শ্রমিকগন বিচারের জন্য শ্রম আদালত যান।

 

 

 

উল্লেখ করা আবশ্যক যে, বাংলাদেশের সমগ্র জেলায় শ্রম আদালত নেই। এর ফলে অধিকাংশ শ্রমিক হয়রানির ভয়ে দূর-দূরান্তে গিয়ে শ্রম আদালতে বিচার প্রার্থী হন না। অনেকেই মনে করেন, এটিও একটি শ্রমিকের প্রতি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা।

 

 

 

এ প্রসঙ্গে নটরডেম কলেজের সাবেক অধ্যাপক ম. নুরুন্নবী বলেন- প্রত্যেক জেলাতেই শ্রম আদালত থাকা আবশ্যক। নইলে শ্রমিকগণ ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে অধরাই থাকবে। আমরা কি সুগোগ-সুবিধা শ্রমিকদের বেশি দিতে পারি না ? দিতে পারি তবে দৃষ্টিভংগি পালটাতে হবে সুইজারল্যান্ডের মতো। জানা যায় সুযোগ-সুবিধায় বিশ্বের সেরাদেশের তালিকায় টানা চুতর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছে সুইজারল্যান্ড।

 

 

৭৩ টি দেশের ওপর জরিপ চালিয়ে তৈরী তালিকায় ভারত ও মিয়ানমারের নামও ররেছে। আরো জানা যায় ৩৬ বছরেও কোন কোন খাতে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো হয়নি । এটিকি কল্পনা করা যায়? (তথ্যসূত্র: বিভিন্ন পত্রিকা অবলম্বনে)।

 

শ্রমিকেরা অল্প আয়ের মানুষ। তাঁদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তাঁরা কোনমতে জীবন জীবিকা পরিবার সহ নিবার্হ করেন। এমতঃ কারণে শ্রমিকগণ যখন অধিকার থেকে বঞ্চিত হন তখন দূরবর্তী জেলায় বা বিভাগে গিয়ে মামলা মোকদমা করে বিচার প্রাপ্ত হওয়া তথা প্রতিকার পাওয়া তাদের পক্ষে দুস্কর।

 

 

কারণ শ্রমআদালত সমগ্র বাংলাদেশের মাত্র কয়েকটি। যেমন-বগুড়া ও রাজশাহীতে আছে। সব জেলা গুলোতে নেই। তাই শ্রমিকদের কথা চিন্তাভাবনা করে প্রত্যেক জেলায় শ্রমিকদের জন্য শ্রমআদালত স্থাপন করার জন্য সরকার বাহাদুর বিবেচনা নিবেন বলে সুধীমহল মনে করেন।

বাবুল রবিদাস
জজ কোর্ট, জয়পুরহাট।
মোবাইল নং- ০১৭২০-১২৪৭০২
babulrabidash@gmail.com

প্রিয় পাঠক, স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী।  আপনার অথবা পরিবারের জন্মদিনের শুভেচ্ছা শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, tahershaghata@gmail.com ঠিকানায়। অথবা যুক্ত হতে পারেন আমাদের  বাংলার সংবাদ এর  ফেসবুক পেজে। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৫৫,১৪০
সুস্থ
১১,৫৯০
মৃত্যু
৭৪৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৬৯৫
সুস্থ
৪৭০
মৃত্যু
৩৭
স্পন্সর: একতা হোস্ট

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৫,১৪০
সুস্থ
১১,৫৯০
মৃত্যু
৭৪৬
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬,৪৭২,৩৭৫
সুস্থ
২,৭৫৭,৪৬৮
মৃত্যু
৩৮৭,৭১২