1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  8. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
যিনি শিক্ষক তিনি ছাত্র - আমাদের বাংলার সংবাদ




যিনি শিক্ষক তিনি ছাত্র

  • সংবাদ সময় : Tuesday, 28 July, 2020
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
যিনি মাদ্রাসার শিক্ষক তিনি মাদ্রাসার ছাত্র। একই সঙ্গে শিক্ষকতা ও নিয়মিত ছাত্র হিসাবে সার্টিফিকেট অর্জনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা এলাকাবাসীর মধ্যে প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা শহিদুল ইসলাম নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার পাশাপাশি অনিয়ম তান্ত্রিকভাবে নিয়মিত ছাত্র হিসাবে সদন অর্জন করেন। জানা যায়, ১৯৮৩ সালে শহিদুল ইসলাম সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল স্তরের ক্বারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের ছুটি ছাড়াই নিয়মিত ছাত্র হিসাবে ১৯৮৭ সালে ফাজিল ও ১৯৯৩ সালে কামিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সনদ অর্জন করেন তিনি। জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সক্রিয় সদস্য ও ইউনিয়ন শাখার গুরুত্বপূর্ন পদে থাকার কারণে সিনিয়র শিক্ষকদের পদ উন্নতি না দিয়ে মাওলানা শহিদুল ইসলামকে ২০০৪ সালে বিধি পরিপন্থি ভাবে সহ-সুপার পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। ২০১৮ সালে সুপারে পদ শুণ্য হলে তিনি ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে অদৃশ্য শক্তিকে ম্যানেজ করে সুপার পদ লাভের জন্য অপচেষ্টায় নিপ্ত হলে নিয়ম বহিঃভূতভাবে শিক্ষা সনদ অর্জনের বিষয়টি এলাকাবাসীর মধ্যে প্রকাশ পায়। একজন মাওলানা শিক্ষকের এমন অনৈতিক কর্মকান্ডে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ যে প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের আদর্শ ও নৈতিকতা শিখার জন্য প্রেরণ করেন সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানের যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের তিনি শিক্ষা দিবেন কি। এলাকাবাসীর পক্ষে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলামের ফাজিল ও কামিল সনদ বাতিল ও উত্তোলিত বেতন ভাতা ফেরতের নির্দেশ এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ