1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  8. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
অনাদর অবহেলায় নজরুল স্মৃতি বিজড়িত নামাপাড়া বটগাছ! - আমাদের বাংলার সংবাদ




অনাদর অবহেলায় নজরুল স্মৃতি বিজড়িত নামাপাড়া বটগাছ!

  • সংবাদ সময় : Friday, 31 July, 2020
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে
সাকিব আল হাসান ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) থেকে ফিরে:
আজ থেকে প্রায় ১০৬ বছর আগে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসেছিলেন কিশোর নজরুল। নজরুল প্রতিভায় বিমুগ্ধ হয়ে দারোগা রফিজউল্লাহ তাঁকে ভর্তি করান দরিরামপুর ইংরেজি হাই স্কুলে (বর্তমান নজরুল একাডেমি)।
প্রথমে কাজীর শিমলা দারোগা বাড়িতে থাকলেও যাতায়াতের কষ্ট লাঘবের জন্য দারোগা সাহেব নজরুলকে ত্রিশালের নামাপাড়ায় জায়গীর রাখেন। স্বাধীনচেতা নজরুল মাঝে মাঝে স্কুল কামাই করে বটগাছের চড়ে বাঁশি বাজাতেন।
যে বটগাছে উঠে নজরুল বাঁশি বাজাতেন সেই বটগাছটিই এখন নজরুল বটবৃক্ষ নামে পরিচিত। দুই বাংলার নজরুল ভক্তদের কাছে এটি তীর্থস্থান।
কবি নেই কিন্তু এই বটগাছটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে কবির অস্তিত্ব ঘোষণা করছে।
সেই বটগাছের পাশেই শুনি বিলে ৯৩ বছর পর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কবির নামে বিশ্ববিদ্যালয়, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।’
বর্তমান সরকারের সামগ্রিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে ১৪ বছরে পদার্পণ করা বিশ্ববিদ্যালয়টি পিছিয়ে না থাকলেও অনাদর অবহেলায় নজরুলের স্মৃতিধন্য বটগাছটি।
গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পি এ নাজির নজরুল স্মৃতি বিজড়িত বটগাছের গুরুত্ব অনুভব করে প্রথমবারের মতো বটগাছটি কেন্দ্র করে চারপাশে পাকা বেদি করেন। ত্রিশালের নজরুল স্মৃতি বিজড়িত সকল স্থাপনার যথাযথ কর্তৃপক্ষ দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ করা হলেও বটগাছটি একেবারেই নিগৃহীত। বটগাছ সংলগ্ন চায়ের দোকান আর বটগাছ চত্বর পরিণত হয়েছে চায়ের আড্ডাখানা। এতে কবির অস্তিত্ব ঘোষণা করে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটির সম্পর্ক বড়ই বেমানান।অনেকেই বলছেন, এতে কবির মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
নজরুল গবেষক এবং বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের উপ-পরিচালক রাশেদুল আনাম জানান, ‘কালের পরিক্রমায় বটগাছ ব্যতীত নজরুল স্মৃতি বিজড়িত সকল জায়গার পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংস্কার সাধিত হলেও একমাত্র জীবন্ত কিংবদন্তি হিসেবে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে বটগাছটি। যেহেতু নজরুলের নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উচিত জমি অধিগ্রহণ করে যথাযথভাবে বটগাছটিকে সংরক্ষণ করা।’
অত্যন্ত দুঃখজনক যে, বটগাছকে ব্যতিরেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সীমানা নির্ধারণী প্রাচীর নির্মাণ করেছেন।
এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যবর্ধন কমিটির সদস্য সচিব দ্রাবিড় সৈকত বলেন, ‘নজরুলের স্মৃতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকা এ বটগাছটি বাইরে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ দীর্ঘমেয়াদী এবং সুপরিকল্পনার অভাব বলে আমি মনে করি। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সোচ্চার ভূমিকা ও সুবিবেচনার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল।’
বটগাছকে ব্যতিরেকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় রমনার বটমূলের মতো হতে পারতো এই নজরুল বটমূল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বটগাছটিকে অযত্ন, অবহেলার কোন সুযোগ থাকবে না। কবির স্মৃতিবিজড়িত বটগাছটিকে যথাযথভাবে পূর্ণ মর্যাদায় আমরা সংরক্ষণ করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ