1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  8. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ - আমাদের বাংলার সংবাদ




সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ

  • সংবাদ সময় : Thursday, 10 September, 2020
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ছাপড়হাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

 

জানা যায়, গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উক্ত বিদ্যালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত স্লিপের ৭০ হাজার, রুটিন মেইনটেন্স ৪০ হাজার ও প্রাক-প্রাথমিক মেইনটেন্স’র জন্য ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন পূর্বক আত্মসাৎ করেছেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম। নব সরকরী এ বিদ্যালয়টি জাতীয় করণের আগে থেকেই সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন খাইরুল ইসলাম। এরই একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের অবসর পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে খাইরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলজার হোসেনের স্বাক্ষর গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বর বিশিষ্ট ফাঁকা চেক বহির একাধিক পাতায় ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। এরপর অপকৌশল খাটিয়ে সভাপতির ঐসব স্বাক্ষর মূলে বিদ্যালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত উক্ত পরিমাণের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এ নিয়ে গত ২৩ আগস্ট বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলজার হোসেন, দাতা সদস্য হযরত আলীসহ অন্যান্য সদস্যগণ উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেন।

 

এ ব্যাপারে কথা হলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম বলেন, স্লিপের ২৪ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়েছে। অন্যান্য টাকার ব্যপারে কোন সদুত্তোর না দিয়ে তিনি বলেন, ব্যাপক কারসাজি মূলকভাবে গোলজার হোসেনকে সভাপতি পদে আনা হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার পনির উদ্দিন এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানান।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রধান আশিকুর রহমান জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে এখনো তদন্ত করা হয়নি। তবে, আগামী সপ্তাহে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। ৩ সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটির অপর ২ সদস্য হলেন- উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার শহিদুল্লাহ্ সরকার ও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রিপন আলী।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ