1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  7. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  8. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
বাসার ছাদে পেয়ারা চাষের পদ্ধতি - আমাদের বাংলার সংবাদ




বাসার ছাদে পেয়ারা চাষের পদ্ধতি

  • সংবাদ সময় : Tuesday, 29 September, 2020
  • ৬০ বার দেখা হয়েছে

 

ছাদে পেয়ারা চাষের পদ্ধতি আমরা অনেকেই জানি না। পেয়ারা আমাদের সকলের কাছেই একটি প্রিয় ফল। আমাদের দেশে প্রায় সব অঞ্চলেই পেয়ারার চাষ হয়ে থাকে। পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন সি এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ, স্নেহ, শর্করা ও প্রোটিন। আমাদের দেশে ছাদে অনেকেই পেয়ারার চাষ করে থাকেন। আসুন জেনে নেই ছাদে পেয়ারা চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে-

পেয়ারার জাতঃ

বাংলাদেশের চাষ উপযোগী অনেকগুলো জাত আছে পেয়ারার। সকল জাতের পেয়ারাই ছাদেও চাষ করা সম্ভব। এর মধ্যে এফটিআইপি বাউ পেয়ারা-১ (মিষ্টি), এফটিআইপি বাউ পেয়ারা-৪ (আপেল), এফটিআইপি বাউ পেয়ারা-৫ (ওভাল), এফটিআইপি বাউ পেয়ারা-৬ (জেলি) এবং থাই পেয়ারা উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও ইপসা -১ এবং ইপসা -২ পেয়ারাও ভাল জাতের পেয়ারা।

ছাদে চাষ পদ্ধতিঃ

ছাদে বাগানের জন্য ২০ ইঞ্চি কালার ড্রাম বা টব সংগ্রহ করতে হবে। ড্রামের তলায় ৩-৫ টি ছিদ্র করে নিতে হবে। যাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। টব বা ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।

এবার ২ ভাগ বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ৪০-৫০ গ্রাম টি,এস,পি সার এবং ৪০-৫০ গ্রাম পটাশ সার দিয়ে ড্রাম বা টব ভরে পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে ১০-১২ দিন। অতঃপর মাটি কিছুটা খুচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন এভাবেই রেখে দিতে হবে। যখন মাটি ঝুরঝুরে হবে তখন একটি সবল সুস্থ চারা উক্ত টবে রোপন করতে হবে।

চারা রোপনের সময় খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়া যেন মাটি থেকে আলাদা না হয়ে যায়। চারা গাছটিকে সোজা করা লাগাতে হবে। সেই সাথে গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উচু করে দিতে হবে এবং মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। যাতে গাছের গোড়া দিয়ে বেশী পানি না ঢুকতে পারে। একটি সোজা কাঠি দিয়ে গাছটিকে বেধে দিতে হবে।

চারা লাগানোর পর লক্ষ্য রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। শুকিয়ে গেলে অল্প পরিমানে পানি দিতে হবে। কখনই বেশী পরিমানে পানি দিয়ে স্যাঁত স্যাঁতে অবস্থায় রাখা যাবে না। গ্রীষ্মকালে গাছ যাতে বেশী শুকিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে । প্রয়োজন হলে সেসময় সকাল বিকাল দুই বেলা করে পানি দিতে হবে।

অন্যান্য পরিচর্যাঃ

গাছ লাগানোর ৪/৫ মাস পর থেকে নিয়মিত ১৫-২০ দিন অন্তর অন্তর সরিষার খৈল পচা পানি প্রয়োগ করতে হবে। এ কাজের উপরই ছাদের গাছের ফলন অনেকাংশে নির্ভর করছে । সরিষার খৈল ১০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর সেই পচা খৈলের পানি পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে হবে।

১ বছর পর টবের আংশিক মাটি পরিবর্তন করে দিতে হবে। ২ ইঞ্চি প্রস্থে এবং ৮ ইঞ্চি গভীরে শিকরসহ মাটি ফেলে দিয়ে নতুন সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে তা ভরে দিতে হবে। ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর টব বা ড্রামের মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে দিতে হবে।

ডাল-পালা ছাটাইঃ

গাছ লাগানোর ২ বছর পর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে পেয়ারার ডাল কেটে দিতে হবে। ছাদের গাছকে যতটা সম্ভব ছোট রাখতে হবে। ডাল পালা বড় হলে ফলন কম হবে। গাছকে ছোট রাখলেই ছাদের গাছে অধিক ফলন পাওয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ