1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
অভিন্ন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা




অভিন্ন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা

  • সংবাদ সময় : Sunday, 6 December, 2020
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে
অভিন্ন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ৪৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯টিতে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

২০০৭ সালে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হলেও নানা কারণে তা ফলপ্রসূ হয়নি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর কেন্দ্রীয় বা আঞ্চলিকভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পদক্ষেপ নিতে ভিসিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া সরকারের আগের মেয়াদের শিক্ষামন্ত্রীও অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা চালুর ব্যাপারে যথেষ্ট আন্তরিক থাকলেও সফল হতে পারেননি।

অভিযোগ রয়েছে, এর মূল কারণ ব্যক্তিস্বার্থ। উচ্চমূল্যে ফরম বিক্রিসহ ভর্তি পরীক্ষায় নানা রকম ডিউটি, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও অন্যান্য কাজের বিনিময়ে শিক্ষকরা মোটা অঙ্কের অর্থ রোজগার করেন। কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা হলে অর্থ আয়ের এ পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এ আশঙ্কায় অনেকেই অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে নন। অথচ প্রতি বছর অনার্সে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তির সীমা থাকে না।

ইউজিসির পক্ষ থেকে ভর্তি পরীক্ষার ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, কেবল পরীক্ষা বাবদ ছাত্রছাত্রীদের গড়ে ৯০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বছরের পর বছর শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন, যা অনভিপ্রেত।

দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় সমন্বয়হীনতা ও পদ্ধতিগত জটিলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে কোচিং ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। এটি বন্ধ করতে হলে পদ্ধতিগত জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন জরুরি। একটি মাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের সরকারি-বেসরকারি শতাধিক মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তির ব্যবস্থা চালু করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও একই পদ্ধতির আওতায় আনতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

বস্তুত গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন সময়ের দাবি। করোনা পরিস্থিতি এ দাবিকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। আমরা আশা করব, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা চালুর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ