1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
বগুড়ায় ব্যবসায়ী ফরিদুলের খুনি পরিবারের আপন সদস্যরাই - আমাদের বাংলার সংবাদ




বগুড়ায় ব্যবসায়ী ফরিদুলের খুনি পরিবারের আপন সদস্যরাই

  • সংবাদ সময় : Wednesday, 13 January, 2021
  • ৬১ বার দেখা হয়েছে
smartcapture

বগুড়া সংবাদদাতাঃ গত ৫ জানুয়ারী বগুড়া শেরপুরের ইটালী মধ্যপাড়া গ্রামের ফরিদুল ইসলামকে নিজ বাড়িতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্লু উদঘাটন করে ৫ হত্যা ঘটনার সাথে জরিত ৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

 

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার পুলিশ সুপার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এতথ্য জানান।
সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিজ পরিবারের সদস্যদের কাছে বলি হতে হয় ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলামকে। এ খুনের সঙ্গে জড়িত গ্রেফতারকৃতরা নিহতের আপন ভাই, ভাবী, ভাতিজা, চাচা ও শ্যালক।

 

হত্যাকাণ্ডে জড়িত গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- নিহত ফরিদুলের চাচা আব্দুর রাজ্জাক (৫৮), ছোট ভাই জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৫), ভাতিজা ফারুক আহম্মেদ (২৫), ভাবী শাপলা খাতুন (৩৫) ও শ্যালক ওমর ফারুক (৩৫)।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বলেন হত্যাকাÐের পর পুলিশ কোন ক্লু খুঁজে পাচ্ছিল না। ক্লু নিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা যখন চিন্তিত ঠিক সেই সময় গত ৮ জানুয়ারি পুলিশের কাছে একটি অপহরণের তথ্য আসে।

 

 

 

নিহত ফরিদুলের শ্যালক ওমর ফারুককে অপহরণ করা হয়েছে বলে তার স্ত্রীর কাছে ফোন আসে। পুলিশ অপহৃত ওমর ফারুককে মানিকগঞ্জ থেকে উদ্ধার করার পর জানতে পারেন তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করে অপহরণ নাটক সাজিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে ওমর ফারুক ফরিদুল খুনের ক্লু পুলিশকে জানায়। ওমর ফারুক পুলিশকে আরও জানায়, নিজের দুলাভাইকে খুন করার পর তিনি মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে থাকেন। অপহরণ নাটক সাজিয়ে তিনি নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। ওমর ফারুকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ অপর চারজনকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে নিহত ফরিদুল তার মা’র সম্পত্তি থেকে ভাইবোনদের বঞ্চিত করেছে। মায়ের মৃত্যুর দুই বছর পর তিনি দলিল বের করে ভাই বোনদেরকে জানান সকল সম্পত্তি তাকে লিখে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে পুরো পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এছাড়াও জমি বন্ধক নেওয়াকে কেন্দ্র করে তিন লাখ টাকা লেনদেন নিয়ে শ্যালক ওমর ফারুকের সাথে ফরিদুলের বিরোধ চলছিল। একারণে ওমর ফারুকও ফরিদুলের ভাই-ভাতিজাসহ অন্যান্যদের সাথে খুনের পরিকল্পনায় যোগ দেন।

 

 

গত ২৮ ডিসেম্বর স্ত্রী-সন্তান ঢাকায় যাওয়ায় ফরিদুল বাড়িতে একাই অবস্থান করায় খুনিরা এই সুযোগ কাজে লাগায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ফারুক আহম্মেদ চাকু নিয়ে ফরিদুলের বাড়িতে প্রবেশ করে অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদুল বাড়িতে প্রবেশ করলে ওমর ফারুক তার মাথায় ছুরিকাঘাত করে। এসময় ফরিদুলের চাচা, ভাই-ভাবী ও ভাতিজা দরজা দিয়ে প্রবেশ করে ফরিদুলকে ধরে বটি ও চাকু দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে তারাই পুলিশকে খুনের সংবাদ দেয় এবং ফরিদুলের মরদেহ উদ্ধার এবং দাফন কাফনের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

 

 

পুলিশ সুপার আরও বলেন, নিহতের শ্যালক ওমর ফারুককে উদ্ধার করতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমানের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি টিম মাঠে নামেন। মানিকগঞ্জ থেকে তাকে উদ্ধারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে ফরিদুল হত্যার ক্লু ও রহস্য উন্মোচন হয়। এরপর ১২ জানুয়ারি রাতভর অভিযান চালিয়ে জড়িত অপর চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ