1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
ইসলামে অন্যায় প্রতিরোধ না করার পরিণতি




ইসলামে অন্যায় প্রতিরোধ না করার পরিণতি

  • সংবাদ সময় : Friday, 19 February, 2021
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে
ইসলামে অন্যায় প্রতিরোধ না করার পরিণতি

মহান আল্লাহ বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না। বান্দা যখন মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়, মহান আল্লাহ তাকে অবশ্যই সাহায্য করেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞেস করে, (তখন বলে দিন যে) নিশ্চয় আমি অতি কাছে। আহ্বানকারী যখন আমাকে আহ্বান করে আমি তার আহ্বানে সাড়া দিই।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৬)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর আল্লাহকে ভয় ও আশার সঙ্গে ডাকো, নিশ্চয়ই আল্লাহর অনুগ্রহ নেককারদের খুব কাছে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৫৬)

কিন্তু কিছু কিছু অপরাধের কারণে মহান আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন না। তার অন্যতম হলো দাওয়াতের কাজ ছেড়ে দেওয়া। মানুষকে দ্বিনের পথে আহ্বান করা ছেড়ে দিলে মহান আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। এতে করে বান্দার ওপর বহু ধরনের বিপদ আসতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম বিপদ হলো, তখন বান্দা আল্লাহর কাছে দোয়া করলেও সেই দোয়া কবুল হয় না। সাহাবি হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয়ই তোমরা সৎকাজের জন্য আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজের প্রতিরোধ করবে। তা না হলে আল্লাহ তাআলা শিগগিরই তোমাদের ওপর তাঁর শাস্তি অবতীর্ণ করবেন। তোমরা তখন তাঁর নিকট দোয়া করলেও তিনি তোমাদের সেই দোয়া গ্রহণ করবেন না। (তিরমিজি, হাদিস : ২১৬৯)

নাউজুবিল্লাহ! সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে বাধা প্রদান ছেড়ে দেওয়া যে কতটা জঘন্য বিষয়, তা আল্লাহর রাসুলের এই হাদিস দ্বারা উপলব্ধি করা যায়। এ কারণে রাসুল (সা.) উম্মতকে সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করার প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজে বাধা দেবে এমন সময় আসার আগে, যখন তোমরা দোয়া করবে কিন্তু তা কবুল হবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪০০৪)

এর কারণ হলো, বান্দার গুনাহের কারণে পৃথিবীতে বিপর্যয় নেমে আসে। মহান আল্লাহর ক্রোধ বেড়ে যায়। যারা আল্লাহ ওয়ালা, তারা যদি আল্লাহভোলাদের দাওয়াত দিয়ে আল্লাহর পথে না আনতে পারে; বরং তাদের অপরাধ দেখে নীরব থাকে, তাহলে মহান আল্লাহর ক্রোধ সবাইকে গ্রাস করবে। দাওয়াত ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহতা বোঝানোর জন্য মহানবী (সা.) একটি অনন্য উদাহরণ দিয়েছেন, দাওয়াতের গুরুত্ব বোঝার জন্য এই উদাহরণের কোনো তুলনা হয় না। নোমান ইবনে বশির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, যে মহান আল্লাহর নির্ধারিত সীমার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং যে সীমা লঙ্ঘন করে, তাদের দৃষ্টান্ত সেই যাত্রীদলের মতো, যারা লটারির মাধ্যমে এক নৌযানে নিজেদের স্থান নির্ধারণ করে নিল। তাদের কেউ স্থান পেল ওপর তলায় আর কেউ নিচ তলায় (পানির ব্যবস্থা ছিল ওপর তলায়) কাজেই নিচের তলার লোকেরা পানি সংগ্রহকালে ওপর তলার লোকদের ডিঙ্গিয়ে যেত। তখন নিচ তলার লোকেরা বলল, ওপর তলার লোকদের কষ্ট না দিয়ে আমরা যদি নিজেদের অংশে একটি ছিদ্র করে নিই (তবে ভালো হয়) এ অবস্থায় তারা যদি এদের আপন মর্জির ওপর ছেড়ে দেয় তাহলে সবাই ধ্বংস হয়ে যাবে। আর যদি তারা এদের হাত ধরে রাখে (বিরত রাখে) তবে তারা এবং সবাই রক্ষা পাবে। (বুখারি, হাদিস : ২৪৯৩)

আমাদের সবার উচিত, নিজেরা আল্লাহর পথে অটল থাকা, সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে বাধা প্রদানে আত্মনিয়োগ করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ