1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
সাঘাটায় ডাকবাংলা-জুমারবাড়ি সড়ক উন্নয়ন কাজে কচ্ছপ গতি জনদুর্ভোগ চরমে - আমাদের বাংলার সংবাদ




সাঘাটায় ডাকবাংলা-জুমারবাড়ি সড়ক উন্নয়ন কাজে কচ্ছপ গতি জনদুর্ভোগ চরমে

  • সংবাদ সময় : Wednesday, 3 March, 2021
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে
??????

আবু তাহের:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা চৌ-মাথা হতে জুমারবাড়ী বাজার প্রবেশ পথ পর্যন্ত (ডাকবাংলা হাট-জুমারবাড়ী ইউপি সড়ক) সড়ক উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নি¤œমানের ইটের খোঁয়া,পলিমাটি ব্যবহার, রাস্তার বারাম কেটে টপ নির্মাণ এবং কাজে স্থবিরতাসহ বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। খোড়া-খুড়ি রাস্তার কাজ বন্ধ থাকায় জনসাধারণ চলাচলে বিঘœসহ জন দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

জানা যায়,ডাকবাংলা-জুমারবাড়ী সড়কটি উপজেলার অত্যন্ত জনগুরত্বপূর্ণ একটি সড়ক। রাতদিন এ সড়কে শতশত যানবাহন চলাচল করে।

কিন্তু সড়কটির প্রশস্ততা কম এবং ভাঙ্গাচুড়া হওয়ায় এলাকাবসি দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রশস্ততা বৃদ্ধিসহ উন্নয়নের দাবি করে আসছিল।

এরই প্রেক্ষিতে সাঘাটা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি), পল্লী সংযোগ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ডাকবাংলা চার মাথা হতে জুমারবাড়ী বাজার প্রবেশ পথ পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের প্রশস্তকরণ এবং কার্পেটিংয়ের লক্ষ্যে প্রাক্কলিত মূল্য ৫ কোটি ৪৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৫৩ টাকা ব্যয়ে বিগত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসের ৫ তারিখে কাজের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

নিয়ম অনুযায়ী ঢাকার “মাক” ইঞ্জিনিয়ারিং রাস্তার কাজের দায়িত্ব পেলেও কাজটি জাহিদ নামে বগুড়ার জনৈক ঠিকাদার সাবকন্ট্রাক্ট নিয়ে বিগত ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ডেপুটি স্পীকার আলহাজ অ্যাড. ফজলে রাব্বী মিয়া এমপি’র মাধ্যমে কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।

পরবর্তীতে ২০ নভেম্বর ঠিকাদার রাস্তার উন্নয়ন কাজ আরম্ভ করেন এবং চলতি বছরের ৩১ শে মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ।

সে লক্ষ্যে ঠিকাদার কাজ আরম্ভ করলেও মাঝে মধ্যে কচ্ছপ গতিতে কাজ করে আবার বন্ধ রাখেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদার কখনো কাজ শুরু করেন কখনো বন্ধ করেন এই অবস্থায় প্রায় দেড় বছরে সড়কের কাজ হয়েছে মাত্র ২০ ভাগ।

বাকী ৮০ ভাগ কাজ রেখেই চলতি বছর ফেব্রæয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে সড়কের কাজ আবার বন্ধ করেন ঠিকাদার।

জনসাধারণের প্রশ্ন প্রায় দেড় বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ ভাগ তাহলে ৮০ ভাগ কাজ শেষ করতে আরো কতবছর লাগবে ?

এব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যসহকারী হারুন অর-রশিদ এর সাথে কথা হলে তিনি কচ্ছপ গতিতে কাজের বিষয়ে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সড়কে এপর্যন্ত ২০ ভাগ কাজ হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বাকী কাজ শুরু হবে। কাজ বন্ধের ব্যাপারে সাব-কন্ট্রাক্ট নেয়া ঠিকাদার জাহিদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, যে কাজ হয়েছে তার বিল এখনো পাওয়া যায়নি, কাজের শ্রমিকদের মুজুরী বাকী আছে একারণে কাজ বন্ধ আছে।

 

স্থানীয়দেও আরো অভিযোগ, সড়কটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বাঁধের কারণে অন্যাণ্য সড়কের চেয়ে এ সড়কের উচ্চতা অনেক বেশী সে কারণে ¯েøাপের মাটি ধরে রাখার জন্য সড়কের উভয় পাশের ¯েøাপে গাইডওয়াল নির্মাণ করে ¯েøাপে মাটি ভরাট করার কথা। কিন্তু সড়কের পশ্চিম পাশের সড়কের ¯েøাপে মাটি না কেটেই কাজ বন্ধ করেন। এছাড়া সড়কজুড়ে দু’পাশে গাইডওয়াল নির্মাণ করার কথা থাকলেও সড়কের কোনো কোনো অংশে তা করা হয়নি। সড়কের পূর্ব পাশের বর্ধিত অংশের সাব-বেসে নিম্নমানের বালুর সঙ্গে মাটির ব্যবহার, দুই স্তরে পানি ব্যবহার না করে রোলার করে কমপ্যাক্ট করা হয়েছে। সড়কের পশ্চিম পাশের ¯েøাপে এখনো কাটা হয়নি মাটি, করা হয়নি সাব-বেস, হয়নি টপ নির্মাণ যেমন ভাঙ্গা-চুড়া সড়ক তেমনি আছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নি¤œমানের কাজের চিত্র ৫ কিলোমিটার সড়কজুড়েই।
পবনতাইড় এলাকার বাসিন্দা জোবায়দুর রহমান, বাদশা মিয়া ও আব্দুল ওয়াহেদ অভিযোগ করেন, ‘রাস্তার সাব-বেসে সঠিকভাবে পানি দিয়ে কমপ্যাক্ট করা হয়নি। ফলে আগামী বর্ষা মৌসুমেই এই রাস্তা টিকবে না। তারা জানান, ঠিকাদারের লোকজনকে নিয়ম মেনে কাজ করার অনুরোধ করা হলেও তারা তা শোনেননি।

এমন অবস্থায় চলতে থাকলে স্থানীয় লোকজন রাস্তার বারাম কাটার বিষয়ে বাঁধা-নিষেধ করিলে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রাস্তার কাজ বন্ধ করেন। স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক জানান, এলাকার প্রায় ১০০ শ্রমিক এই রাস্তায় কাজ করত। এলাকার লোকজন কাজের অনিয়মের কথা বলায় ঠিকাদার শ্রমিকদের মজুরী না দিয়েই এক মাস আগে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। ব্যস্ততম এসড়কের উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকার কারণে জনসাধাণের চলাচলে একদিকে বিঘœ ঘটছে পাশাপাশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চরম ভাবে

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ