1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  5. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  6. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  7. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  8. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  9. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  10. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  11. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
বহিস্কার-অব্যাহতি, পদত্যাগ ও হামলা-মারপিটসহ হুমকি-ধামকির মধ্যদিয়ে পলাশবাড়ীতে সাংবাদিকদের দ্বন্দ্ব প্রকট - আমাদের বাংলার সংবাদ




বহিস্কার-অব্যাহতি, পদত্যাগ ও হামলা-মারপিটসহ হুমকি-ধামকির মধ্যদিয়ে পলাশবাড়ীতে সাংবাদিকদের দ্বন্দ্ব প্রকট

  • সংবাদ সময় : Friday, 2 April, 2021
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

 

আল কাদরি কিবরিয়া সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার:- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বহিস্কার-অব্যাহতি, পদত্যাগ ও হামলা-মারপিটসহ হুমকি-ধামকির মধ্যদিয়ে সাংবাদিকদের দ্বন্দ্ব বর্তমানে প্রকট আকার ধারণ করেছে। একভূত একটি প্রেসক্লাব থেকে আরেকটি প্রেসক্লাব গঠন কে কেন্দ্র করে বর্তমানে এ দ্বন্দ্ব ও মারপিট, হামলা, বহিস্কার এবং অব্যাহতি বর্তমানে চলমান রয়েছে।

 

o

 

 

স্থানীয় সাংবাদিক ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে পলাশবাড়ীতে মূল পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব (ডাকবাংলা) ছাড়াও আরও ৪টি প্রেসক্লাব ছিলো। সেখানে বিভিন্ন মতাদর্শী সাংবাদিকগণ স্ব-স্ব ক্লাবে থাকা কালীন পেশাগত দায়িত্ব পালণ করে আসছিলেন। এরই মধ্যে সব প্রেসক্লাব ভেঙ্গে দিয়ে একটি মূল পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে একীভূতকরণ হওয়ার প্রস্তাব উত্তোলন করেন সাবেক গাইবান্ধা রোডস্থ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন। উক্ত প্রস্তাব প্রদানের পর থেকে সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুশীল সমাজের মধ্যে একভূত হওয়ার আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকে। এ আলাপ-আলোচনা চলমান থাকাকালীন সময় সাবেক ও বর্তমান পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব (ডাকবাংলো) সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা চলমান একীভূতকরণ প্রস্তাবকে গ্রহণ না করে নানা-টালবাহনা করা শুরু করেন। সেসময় একটি প্রেসক্লাবে একীভূত হওয়ার বিষয়ে ৩১-গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলছুম স্মৃতি এমপি, উপজেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ ও বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা কে একটি প্রেসক্লাব গঠনে একাধীক বৈঠকসহ আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যান। চলমান আলাপ-আলোচনার মাঝে এমপি মহোদয় ৯ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটিও অনুমোদন করে দেন। কিন্তু এমপি মহোদয়ের আহবায়ক কমিটি গঠনের পরও চলতে থাকে নানা নাটকীয়তা। এরই এক পর্যায়ে বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা ও অনুসারীরা পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে একটি জরুরী বৈঠক ডাকেন। এ বৈঠকের খবর পেয়ে বর্তমান প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন, ফজলার রহমান, আশরাফুল ইসলামসহ আরও অনেকে ওইদিন সকাল থেকে প্রেসক্লাব ও আশেপাশে অবস্থান গ্রহণ করেন। এরই একপর্যায়ে বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা প্রেসক্লাবের ভিতর ঢোকার চেস্টা করলে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তালা ঝুলানোর পর বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা গ্রুপ ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন গ্রুপের মাঝে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি অবস্থান গ্রহণের খবর শুনে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাবে আসতে থাকে। শেষমেশ একীভূত হওয়ার প্রস্তাব মেনে নিয়ে বর্তমান প্রেসক্লাব সভাপতি তাৎক্ষণিক আলাপ-আলোচনার প্রস্তাব দিলে উপজেলার সিনিয়র ও জুনিয়র সাংবাদিকগণ আলাপ-আলোচনায় মিলিত হয়। ফলপ্রুস আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নসহ ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠনের সিন্ধ্যান্ত গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ২৮ নভেম্বর জরুরী মিটিং আহবান করে। ওইদিন বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কে কোন পদে বসবে তা বাস্তবায়নে তৎপরতা অব্যাহত সহ দ্রুত নির্বাচনের প্রস্তাব উত্তোলন করেন। শেষমেশ অনেক নাটকীয়তার পর ওইদিন নির্বাচন করা হবে বলে সিন্ধ্যান্ত হয়। যেখানে বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ভিন্ন মতাদর্শের হওয়া স্বত্বেও একই প্লাটফর্মে গোপন আতাত করে নির্বাচন করে চেয়ার ভাগাভাগি শুধু নাটক ছিলো। তার কারণ সময় না দিয়ে দ্রুত নির্বাচন! ওইদিন ২৮ নভেম্বর দুপুরে সাংবাদিকদের চাপ সৃষ্টি করে সিন্ধ্যান্ত অনুযায়ী একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন এবং সন্ধ্যায় বিভিন্ন পদে মনোনয়ন পত্র বিক্রি করে রাত ৮টায় একটি সাজানো নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। যে নির্বাচনে অনেক সিনিয়র সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন নাই। শুধুমাত্র সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি রবিউল হোসেন পাতা ও সাবেক রিপোটার্স ইউনিটি সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা সম্পর্কে আপন দুইভাই। আর বাকিসব পদে নিত্যনতুনরা নির্বাচিত হয়। যাদের গ্রহন যোগ্যতা নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। উক্ত নির্বাচনে সভাপতি পদে রবিউল হোসেন পাতা ও সাধারণ সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলাম রতন জয়ী হয়। এরপর নতুন একটি কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ।

 

 

 

 

অতঃপর:- একটি প্লাটফর্মে এসে নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রতন প্রেসক্লাবে নিত্যনতুন কমিটিতে আসা বন্ধু-বান্ধব বাদে অন্যান্য সিনিয়র সাংবাদিকদের দেখা শুরু করেন বাকা চোঁখে। শুরু করেন বেআইনী ক্ষমতা প্রয়োগ। প্রেসক্লাব ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ তৈরি করে নিজের লেখা সংবাদ প্রচার করার জন্য অন্যান্য সাংবাদিকদের চাপ সৃষ্টি করেন। তারপর উক্ত সংবাদ প্রচার না করলে তাকে ডেকে অপমান আর অপদস্থ করা ও সতর্ক বার্তা প্রদান অব্যাহত রাখেন। যা অনেকের কাছে বিরক্তিকর হিসেবে চিহ্নিত হয়। শুরু হয় আবারও একভূত সাংবাদিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব! শুধুমাত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন কারীদের মাঝে চালান স্ট্রীম রোলার।

 

 

 

এরপর কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং ডেকে একঘুয়েমি ভাবে শুরু করেন কারণ উল্লেখ ছাড়া শুধুমাত্র লেখা ‘সংগঠন বিরোধী’ কারণ দর্শানো নোটিশ। তারপর সাময়িক বহিস্কার? ওই বহিস্কারের চিঠি সর্বপ্রথম আমাকে দিয়ে শুরু করেন। এরপর তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংবাদ লিখে বিভিন্ন আইডি থেকে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েন। একজন সাংবাদিক কে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদানের পর সংবাদ পরিবেশন করা কতটা যৌতিকতা তা আমার বোধোগম্য নয়।

 

 

তারপর থেকে আমাকে আজ অবধি পর্যন্ত অব্যাহত হুমকি-ধামকি প্রদান করে আসছেন। একসময় আমাকে তার প্রয়োজন পড়েছিলো। এখন প্রয়োজন শেষ হয়েছে তাই আমাকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন। (চলবে-)

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ