1. ashik@amaderbanglarsangbad.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  2. akhikbd@amaderbanglarsangbad.com : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  3. babul6568@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  4. kip.o.niom@gmail.com : beatris01l :
  5. admin@amaderbanglarsangbad.com : belal :
  6. free-centre@rcnika.biz.ua : Carlosvb :
  7. listlistov999@gmail.com : clarencekempton :
  8. sv.e.t.a.m.ahovits.k.aya.8.2@gmail.com : danniellearchdal :
  9. listlistov444@gmail.com : edenrankin :
  10. sv.e.ta.m.ah.ov.i.tsk.a.y.a82@gmail.com : kimberleybogan9 :
  11. politika.video1@gmail.com : kristinstonham :
  12. lima@webcodelist.com : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  13. autumn570578@gmail.com : micheallangley :
  14. rkp.jahan@gmail.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  15. nimushamim46@gmail.com : Shamim Nimu : Shamim Nimu
  16. abc@solarzonebd.com : Staf Reporter : Staf Reporter
  17. tahershaghata@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  18. k.ip.on.i.o.m@gmail.com : tiffanyreiniger :
সৌরবিদ্যুতচালিত পাম্পে পাল্টে গেছে সাদুল্লাপুরের কৃষিচিত্র - আমাদের বাংলার সংবাদ




সৌরবিদ্যুতচালিত পাম্পে পাল্টে গেছে সাদুল্লাপুরের কৃষিচিত্র

  • সংবাদ সময় : Sunday, 18 April, 2021
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে

 

স্টাফ রিপোর্টার:- গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সৌরবিদ্যুতে পাল্টে গেছে কৃষিচিত্র। সৌরবিদ্যুচালিত পাম্পের মাধ্যমে স্বল্প খরচে উপজেলার তলফকামাল গ্রামের কৃষকরা প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে সেচ দিয়ে ইরি-বোরো চাষ করছেন। জমিতে চাষাবাদের জন্য এক সময় তাদের নির্ভর করতে হতো ডিজেলচালিত সেচ পাম্পের ওপর।

 

এই পাম্প চালানোর খরচ বেশি হওয়ায় সাশ্রয়ী বিদ্যুত ব্যবহার করে আসছিল কৃষকরা। আর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জমিতে সেচ দেয়ার দুঃশ্চিন্তায় থাকতে হতো এ অঞ্চলের কৃষকদের।। কিন্তু দৃশ্যপট বদলে গেছে। এখন সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে চলছে সেচ পাম্প।

 

আর এতেই বদলে যাচ্ছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার তরফকামাল গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কৃষকদের ভাগ্য। তাদের মুখে ফুটেছে অনাবিল হাসি।

 

এই পদ্ধতিতে কোনও জ্বালানি খরচ না হওয়ায় জমিগুলো ভরে উঠেছে সবুজ ফসলে।

 

কৃষকেরা বলছেন, সৌরবিদ্যুচালিত সেচপাম্পে চাষাবাদ করে খরচ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে। হয়রানি থেকেও মিলেছে মুক্তি। অনেক সময় সেচ দিতে না পেরে জমিতেই নষ্ট হয়ে যেত ফসল। ধারদেনা করে ফসল উৎপাদন করতে গিয়ে বেড়ে যেত কৃষকদের ঋণের বোঝা।

 

 

কালের বিবর্তনে আধুনিক হয়েছে সবকিছু। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে। বাড়তি খরচ না থাকায় সোলারের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। জেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলায় ১ লাখ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

 

সোলার প্যানেলের মাধ্যমে জমিতে পানি দিয়ে লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। সেইসঙ্গে তাদের উৎপাদনের খরচ কমে গেছে। ফলে বোরো ধান বিক্রি করে অনেকেই লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।

 

 

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিজেলচালিত শ্যালোমেশিনে সেচ দেওয়ার জন্য মেশিনের মালিকদের কাছে ধরনা দিতে হয়। সঠিক সময়ে পানি মেলে না। সৌরবিদ্যুচালিত পাম্পে এসব সমস্যা নেই। এ প্রযুক্তি দিয়ে দিনে টানা আট ঘণ্টা পানি ওঠানো সম্ভব।

 

 

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, সাদুল্লাপুর উপজেলার তলফকামাল গ্রামে ৩৬টি সোলার প্যানেলের দ্বারা ৪০ বিঘা জমিতে ইরি-বোরো সেচ দেয়া হচ্ছে। এ সেচ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, যতক্ষণ পর্যন্ত সূর্য কিরণ দেবে ততক্ষণ পর্যন্ত সেচ দেয়া যাবে।

 

এছাড়া এখানে কোন বাড়তি লোকের প্রয়োজন পড়ে না। আর বাড়তি লোকের প্রয়োজন হয়না বলে সংগত কারণেই এতে কৃষি উৎপাদন খরচও হ্রাস পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরো সংবাদ