শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন সমকালকে বলেন, আপাতত প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণির দুটি করে ক্লাস শুরু হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরে স্বাভাবিক ক্লাস রুটিনে ফেরার চেষ্টা করা হবে।

জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির (২০১০) সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘করোনায় শিক্ষাব্যবস্থাই সবচেয়ে বড় ক্ষতিতে পড়েছে- এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। করোনার কারণে এক শ্রেণির পড়া ঠিকমতো না পড়েই শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শ্রেণিতে উঠেছে। এটি ভয়াবহ ক্ষতি। এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এখন উদ্যোগ নিতে হবে।’

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায়। মে মাস থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা ও জুলাই মাস থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকা, দুর্বল ও ধীরগতির ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর পক্ষেই অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হয়নি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন ব্যাচের ভর্তিও পিছিয়ে গেছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অন্তত ৫০০ পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। বড় ধরনের সেশনজটে পড়তে হয়েছে শিক্ষার্থীদের।